২-০ গোলে হারিয়ে স্বাধীনতা কাপে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে মারুফুল হকের দল। প্রথমবারের মতো স্বাধীনতা কাপের শিরোপা জিতল আরামবাগ। অবশ্য দলটির কোচ মারুফুল পেলেন দ্বিতীয় শিরোপার স্বাদ। ২০১২-১৩ মৌসুমে শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্রের কোচ হিসেবে প্রথম এই ট্রফি জিতেছিলেন তিনি। খবর বিডিনিউজ’র।
বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে গতকাল ম্যাচের ২০তম মিনিটের সুযোগ কাজে লাগিয়ে এগিয়ে যায় শেখ জামাল ধানমণ্ডি ক্লাবকে হারিয়ে ফাইনালে ওঠা আরামবাগ। ডান দিকের ডি-বক্সের ভেতর থেকে মিডফিল্ডার শাহরীয়ার বাপ্পীর ক্রসে ছোট ডি-বক্সের ভেতর থেকে ডিফেন্ডার আরিফের হেড চোখের পলকে জালে জড়ায়।
ছয় মিনিট পর মিডফিল্ডার মোহাম্মদ আব্দুল্লাহর শট গোলরক্ষক আজম খান আটকে দিলে সমতায় ফেরা হয়নি চট্টগ্রাম আবাহনীর। ২৭তম মিনিটে এক ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে ফরোয়ার্ড মোহাম্মদ জুয়েলের নেওয়া শট আটকে ব্যবধান দ্বিগুণ হতে দেননি গোলরক্ষক আশরাফুল ইসলাম রানা।
৩৮তম মিনিটে ডান দিক থেকে মামুনুল ইসলামের কর্নারে বল বাঁক খেয়ে জালে ঢোকার আগ মুহূর্তে ফিস্ট করে ফিরিয়ে আবারও চট্টগ্রাম আবাহনীকে হতাশ করেন আজম খান।
প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে ব্যবধান দ্বিগুণ করে চট্টগ্রাম আবাহনীকে আরও কোনঠাসা করে ফেলে আরামবাগ। বাঁ দিক থেকে জুয়েলের বাড়ানো ক্রস ডিফেন্ডার রকি নিখুঁত টোকায় জালে জড়িয়ে দেন।
৫৪তম মিনিটে অল্পের জন্য ব্যবধান আরও বাড়িয়ে নিতে পারেনি আরামবাগ। গায়ের সঙ্গে সেঁটে থাকা ডিফেন্ডারকে গতিতে পরাস্ত করে বাঁ দিকের ডি-বক্সের ভেতর ঢুকে আরিফের নেওয়া শট দূরের পোস্ট ঘেঁষে বেরিয়ে যায়।
ম্যাচে ফিরতে মরিয়া চট্টগ্রাম আবাহনীর দুটি সুযোগ নষ্ট হয় তিন মিনিটের মধ্যে। ৬৪তম মিনিটে তৌহিদুল আলম সবুজের হেড আজমের গ্লাভসে জমে যায়। এরপর মান্নাফ রাব্বীর ক্রসে আব্দুল্লাহর জোরালো শট ক্রসবারে লেগে ফেরে। শেষ পর্যন্ত হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে জুলফিকার আহমেদ মিন্টুর দল।

Share