বিদ্যা সিনহা মিম। মডেল ও অভিনেত্রী। সম্প্রতি সাফটা চুক্তির আওতায় মুক্তি পেয়েছে তার অভিনীত ছবি ‘সুলতান :দ্য সেভিয়ার’। রাজা চন্দ পরিচালিত ছবিটি স্বল্প সময়ের মধ্যে সাফল্যের দেখা পেয়েছে। এ ছবিতে অভিনয় ও অন্যান্য বিষয়ে কথা হয় তার সঙ্গে-কখনও কি ভেবেছিলেন, এত অল্প সময়ের মধ্যে ‘সুলতান :দ্য সেভিয়ার’ ছবিটি দর্শকের মাঝে সাড়া ফেলবে? সেভাবে ভাবিনি, কিন্তু ছবিটি দর্শকের ভালো লাগবে- এই বিশ্বাস ছিল। এর আগে কলকাতায় সালমান খানের ‘রেস-থ্রি’ এবং শাকিব খানের ‘ভাইজান এলো রে’ ছবির সঙ্গে ‘সুলতান : দ্য সেভিয়ার’ মুক্তি দেওয়া হয়েছিল। একই সময় দুটি বড় বাজেটের তারকাবহুল ছবির মুক্তির সঙ্গে কোনো ছবি মুক্তি দেওয়া চ্যালেঞ্জিং কাজ। তারপরও নির্মাতা সে সাহস দেখাতে পেরেছেন এর গল্প, চরিত্র ও নির্মাণে ভিন্নতা আছে বলে। যে জন্য কলকাতার পাশাপাশি এ দেশের দর্শকের মাঝেও ছবিটি সাড় জাগাবে- এমন প্রত্যাশা ছিল।

ছবির মুক্তি পিছিয়ে যাওয়া নিয়ে কোনো হতাশা কাজ করেছিল কি?

‘সুলতান : দ্য সেভিয়ার’ ঈদে মুক্তি পেলে বেশি ভালো লাগত। কারণ উৎসব আনন্দ ভাগাভাগি করতে দর্শক এমন ছবিই দেখতে চায়। কিন্তু যৌথ প্রযোজনা নীতিমালার কারণে ছবি মুক্তি পিছিয়ে যাওয়ায় কিছুটা মন খারাপ হয়েছিল। তারপরও ভালো লাগার বিষয় এটাই, একটু দেরিতে হলেও এ দেশের দর্শক ছবিটি দেখার সুযোগ পেয়েছেন। তাদের কাছে ছবিটি ভালো লেগেছে- শিল্পী হিসেবে এটাও বড় একটি পাওয়া।

এ ছবিতে আপনার আইনজীবী চরিত্রটি নিয়ে দর্শক কী বলছেন?

অনেকে বলেছেন, এ ছবিতে তারা নতুন এক মিমের দেখা পেয়েছেন। কেউ কেউ জিৎ-মিম জুটিকে বারবার দেখতে চান বলেও জানিয়েছেন। তাদের কথায়, চরিত্রের সঙ্গে দারুণভাবে মানিয়ে গেছে আমাদের এই জুটি। আমিও এটাই চেয়েছি, দর্শক যেন ছবিতে আমাকে নতুন করে আবিস্কার করেন। শুধু ‘সুলতান : দ্য সেভিয়ার’ নয়, প্রতিটি কাজের মধ্য দিয়েই নিজের অভিনয় ভাঙাতে চাই। এ জন্য যখনই কোনো ছবির প্রস্তাব পাই, দেখে নেওয়ার চেষ্টা করি, সে ছবির গল্প ও চরিত্রে কতটা ভিন্নতা আছে। আগে অভিনয় করিনি, এমন চরিত্রই খুঁজি। তা ছাড়া একই ধরনের চরিত্রে বারবার পর্দায় নিজেকে তুলে ধরারও ইচ্ছা নেই।

অনেক দিন নাটক, টেলিছবিতে আপনাকে দেখা যায়নি এর কারণ কী?

সিনেমার ব্যস্ততার কারণেই নাটক, টেলিছবিতে কাজ করা হয়ে উঠছে না। আগামী ঈদেও ছোট পর্দায় আমাকে দেখা যাবে কিনা- তা নিশ্চিত বলতে পারছি না।

Share