শিক্ষা

ফরজ নামাযের পর সম্মিলিতভাবে হাত তুলে দোয়া করা- জঘন্যতম বেদাআত।

বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম
বিদাআতের পরিনতি- জাহান্নাম
ফরজ নামাযের পর সম্মিলিতভাবে হাত তুলে
দোয়া করা- জঘন্যতম বেদাআত।

০১। আল্লাহর রসূল (সঃ) বলেন “আমি যাহা বলি নাই তাহা যদি কেউ বলে অর্থ্যাৎ যদি আমার উপর মিথ্যা আরোপ করে তার স্থান জাহান্নাম। (বুখারী/মিশকাত ২/১৮৯)
০২। আল্লাহর রসূল (সঃ) দ্বীনে যে আমল করেননি বা করতে বলেননি -তাহা করাই বিদাআত। যাহার পরিনতি জাহান্নাম।

০৩। সহিহ আবু দাঊদ শরীফ হাদিস নং ৪৫৫২ তে আল্লাহ রসূল (সঃ) বলেন “তোমাদের মাঝে যাহারা জীবিত থাকিবে তাহারা বহু মতভেদ দেখতে পাবে। তোমাদের উচিত হবে “আমার ও খুলেফায়ে রাশেদার সুন্নতের অনুসরন করা।
তোমরা তাহাদের দৃঢ়ভাবে অনুসরন করবে । যারা সত্য ও ন্যায়ের অনুসারী। তোমরা বেদাআতের অনুসরন ও অনুকরন করা হইতে দূরে থাকবে। কেননা প্রতিটি নতুন কথাই বেদাআত এবং প্রত্যেক বেদাআত গোমরাহি বা পথভ্রষ্টতা।

০৪। (ক) বেদাআত সম্পর্কে সহিহ আবু দাঊদ শরীফ হাদীস ৪৫৩৯ নং হাদীসে উল্লেখ রহিয়াছে যে, “শয়তান কহাকে গোমরাহি/পথভ্রষ্ট করবে? শয়তান গোরাহি ফাঁদে তাকে বন্দি করবে যার জন্য আল্লাহ সুবহানাতায়লা দোযখ ওয়াজিব করেছেন।
(খ) সেইদিন (কেয়ামতের দিন) তোমরা পিছনে ফিরে পলায়ন করবে কিন্তু আল্লাহর শাস্তি হতে তোমাদের রক্ষা করার কেউ থাকবে না। আল্লাহ যাকে পথভ্রষ্ট করেন তার জন্য কোন পথ প্রদর্শক নেই (সুরা আল মুমিন, আয়াত-৩৩)।

আল্লাহ রসূল (সঃ) বলেন, দ্বীনের মধ্যে প্রত্যেক নতুন জিনিসই হচ্ছে বেদাআত। প্রত্যেক বেদাআত হচ্ছে পথভ্রষ্টতা এবং প্রত্যেক পথভ্রষ্টতাই জাহান্নামে নিয়ে যাবে (হাফিজ ইবনুল কাছিরের সুরা নিসার তফসীর অনুচ্ছেদ নং ৫৭১)

০৫। কিয়ামতে দিনে বেদাআতিদের পরিনতি “আল্লাহ রসূল (সঃ) বলেন কিয়ামতের দিনে আমি হাওজে কাওসারের নিকট থাকব, আমার উম্মতরা দলে দলে আসবে। আমি তাহাদেক পেয়ালা ভরে পানি পান করাব এমন সময় দেখব আমার কিছু উম্মতকে আটকাই দেয়া হয়েছে।
আমি আল্লাহকে বলব হে আল্লাহ এরা তো আমার উম্মত। তখন আল্লাহ বলবেন এরা তো তোমার মৃত্যুর পর এই লোকেরা কি কি বেদাআত উদ্ভব করেছে তা তুমি জান না। এরা তোমার পেশ করা দ্বীনকে বদলে দিয়েছে, বিকৃত করেছে। তারা হাওয়াজে কাওসারে কখনও হাজির হতে পারবে না। নবী করীম (সঃ) বলেন তখন আমি তাহাদের লক্ষ্য করে বলব দূর হয়ে যাও দূর হয়ে যাও আমার চোখের সামন থেকে, সরে যাও।
(সহিহ মুসলিম/মুসনাদে আহম্মদ হইতে বর্ণিত সুন্নত ও বেদাআত বই পৃষ্টা ২৭৮)। এরপর জান্নাতে যাওয়ার আশা থাকে কি?

০৬। বেদাআতি আমলের মধ্যে জঘন্যতম বেদাআতি আমল হচ্ছে- ফরজ নামাযের পর জামাতবদ্ধ বা সম্মিলিতভাবে হাত তুলে দোয়া করা। ইমাম সাহেব উচ্চ স্বরে/ চিৎকার করে দোয়া করেন আর মোক্তাদিররা আমিন আমিন বলতে থাকেন।
ইমাম সাহেব আরবিতে মুখস্থ করা কিছু দোয়া করতে থাকেন, উহার অর্থ অনেকেই জানেন না। ইহা একটি জঘন্যতম বেদাআতি আমল কারণ আল্লাহ রসূল (সঃ) ফরজ নামাযের পর এই ভাবে জামাতবদ্ধভাবে সাহাবী (রাঃ) গণদেক নিয়ে কখনও দোয়া করেননি বা করতে বলেননি।
এইরূপ সম্মিলিতভাবে দোয়া করায় আল্লাহ রসূল (সঃ) কে অমান্য ও উপেক্ষা করা হয়। আল্লাহ রসূল (সঃ) কে যে অমান্য করবে তাহাকে জাহান্নামের অগ্নিতে পোড়ানো হবে। (সুরা জ্বীন, আয়াত-২৩)

০৭। ডাঃ আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর পি.এস.ডি রিয়াদ, এম.এ রিয়াদ, এম.এ, ঢাকা সহকারী অধ্যাপক আল হাদিস বিভাগ ইসলামি ইউনিভারসিটি কুষ্টিয়া, তার লেখা নামায ও মোনাজাত কেতাবের পৃষ্টা নং-৫২, অনুচ্ছেদ-৩ ও পৃষ্টা নং-৫৬, অনুচ্ছেদ-ক তে উল্লেখ করেন যে, আল্লাহর রসূল (সঃ) সকল যিকির ও মোনাজাত একাকি পালন করতেন। জামাতে সাহাবী (রাঃ)দের সাথে এক ওয়াক্ত নামাযেও সম্মিলিতভাবে দোয়া করেননি। হিজরতের দশ বছরে মাদানী জীবনে তিনি (সঃ) প্রায় ১৮০০০ ওয়াক্ত ফরজ নামায জামাতে আদায় করেন।
তদমধ্যে এক ওয়াক্ত নামাযও তিনি উপস্থিত সাহাবী (রাঃ)দের নিয়ে সম্মিলিতভাবে মোনাজাত করেন নি বলে উক্ত বইয়ে উল্লেখ রহিয়াছে।। বাংলাদেশী অন্যান্য বিজ্ঞ আলেমগনও একই কথা প্রচার করিতেছেন।

০৮। প্রিয় পাঠক অবগতির জন্য আরোও উল্লেখ করা প্রয়োজন যে, পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ আলেম (ক) আহম্মদ ইবনু তাইমিয়্যাহ (রহঃ) বলেন, ফরজ নামাযের পর ইমাম- মুক্তাদির সম্মিলিভাবে দোয়া করা বেদাআত।
রসূল (সঃ) এর যুগে এইরূপ দোয়া ছিল না (মাজমু আ ফাতাআ ২২ তম খন্ড, পৃষ্ঠা ৫১৯) (খ) শায়েখ আব্দুল আজিজ বিন আব্দুল্লাহ বিন বায (রহঃ) বলেন, পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ সালাত ও নফল সালাতের পর সম্মিলিতভাবে দোয়া করা স্পষ্ট বিদাআত।
কারণ এইরূপ দোয়া রসূল (সঃ) এর যুগে এবং তার সাহাবীগণের যুগে ছিল না। (হাইআতু কিবরিল ওলামা ১ম খন্ড, পৃষ্টা ২৪৪)। (গ) আল্লামা ইবনুল কাইয়ুম (রহঃ) (৬৯১ হিজরিতে জন্ম) তিনি বলেন, ইমাম সালাম ফিরিয়া পশ্চিমমুখি হয়ে অথবা মুক্তাদিরদের দিকে ফিরে মুক্তদিরগনকে নিয়ে মুনাজাত করা কখনো রসূল (সঃ) এর তরিকা নয়।
এ সম্পর্কে একটিও সহিহ বা দূর্বল হাদিসও নেই। (যাদুল মা-আদ ১ম খন্ড, পৃষ্ট ৬৬), (ঘ) আল্লামা নাসির উদ্দিন আলবানী (রহঃ) (ঙ) শায়েক উসাইমীন (রহঃ) (চ) আল্লামা আনোয়ার শাহ কাশমিরী (রহঃ) (ছ) আল্লামা আশরাফ আলী থানবী (রহঃ) (জ) জামাআতে ইসলামীর প্রতিষ্ঠাতা আল্লামা মওদুদী (রহঃ) বলেন,
ইমাম ও মুক্তদি মিলে যে নিয়মে দোয়া করেন এ নিয়ম রসূল (সঃ) এর যামানায় প্রচলিত ছিল না। ইহা একটি বেদাআতি আমল বলে আখ্যায়িত করেছেন (রাসাইল ও মাসাইল, প্রথম খন্ড, পৃষ্টা-১৫৫)। ইত্যাদি আরো অনেকেই এই নিয়মকে বেদাআত বলেছেন।
চিটাগাং হাট হাজারী কাওমী মাদ্রাসাসহ বাংলাদেশের বহু মসজিদে জামাত বদ্ধভাবে মোনাজাত হয় না। আস্তে আস্তে উহা উঠে যাচ্ছে। উপরন্তু সারা আরব জাহানে বিশেষকরে মক্কা ও মদীনায় মসজিদ নববীতে ফরজ নামাযের পর সম্মিলিতভাবে মোনাজাত হয় না। হাজী সাহেবগণ ইহার প্রমাণ।

০৯। ফরজ নামাযের পর চিৎকার করে সম্মিলিতভাবে দোয়া করা কোরআনুল করীমের পরিপন্থিঃ- (ক) “তোমরা আল্লাহকে ডাক তার অনুগত একনিষ্ঠ হয়ে যদিও কাফেরা অপছন্দ করে। (সুরা গাফির, আয়াত ১৪) বিঃদ্রঃ কিভাবে ডাকতে হবে- একনিষ্ঠভাবে
(খ) ইসলামের মুল ভিত্তি হলো ০২টি। ০১। শুধু এক আল্লাহর ইবাদত করা। ০২। তার নবী ও রসূল (সঃ) এর শিখানো পদ্ধতি অনুযায়ী আল্লাহর ইবাদত করা। আর ইহাই “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ” (আল্লাহ ব্যাতিত সত্য কোন মাবুদ নেই) এই সাক্ষ্যের অর্থ। ফরজ নামাযের পর সম্মিলিতভাবে মোনাজাত করা রসূল (সঃ) এর শিখানো পদ্ধতি নয়।
(গ) যে দ্বীনের মধ্যে কোন বিদাআত চালু করল যে ব্যাপারে আল্লাহর কোন নির্দেশ নেই সে মুহাম্মাদুর রসূলল্লাহ (সঃ) এর এই সাক্ষ্যকে বাস্তবায়ন করে নাই।
(ঘ) সুরা ফুরকান, আয়াত ২৩ এ “আল্লাহ বলেন আমি তাদের কৃতকর্মগুলো বিবেচনা করব তারপর সেগুলোকে ধুলিকনায় পরিনত করব” এগুলো ঐ সকল লোকদের কর্ম যারা আল্লাহর সাথে শিরিক করা অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে।
এমনিভাবে যারা এমন বিদাআত করে যে ব্যাপারে আল্লাহর নির্দেশ নেই, এই কাজগুলো কেয়ামতের দিনে বিক্ষিপ্ত ধুলিকনায় পরিনত হবে। কেননা ইহা পবিত্র শরীয়ত বিরোধী। নবী করীম (সঃ) বলেন, যে
আমাদের এই দ্বীনের মধ্যে এমন কিছু আবিষ্কার করল যাহা এ দ্বীনের অংশ নয় তাহা অগ্রহনীয়। (বুখারী/মুসলিম) (তৌহিদ সংরক্ষন বহি, পৃষ্ঠা নং-৪৮) যাহা প্রচারের জন্য হাজী সাহেবদের দেওয়া হয়।

১০। সাহায্য মহাপরাক্রান্ত প্রজ্ঞাময় আল্লাহর পক্ষ থেকে হয়ে থাকে। (সুরা আল ইমরান, আয়াত ১২৬)। অতএব সাহায্য যখন আল্লাহর পক্ষ থেকে হয় তখন তাহাকে সরাসরি ডাকব বা তার নিকট কাতর কন্ঠে একনিষ্ঠভাবে প্রার্থনা করব এবং মনের দুঃখ দুর্দশার কথা তাহাকে সরাসরিভাবে জানাব।
তাই আল্লাহ তায়ালা সুরা নাহাল, আয়াত ৫৩ তে বলেন, যাহা কিছু পেয়েছ আমার অনুগ্রহে পেয়েছ, আবার যখন দুঃখ কষ্ট তোমাকে পীড়িত/স্পর্শ করে তখন তোমরা আমার কাছে সাহায্য চাও ও ব্যাকুলভাবে আমাকে ডাক।
আল্লাহ ফরজ নামাযের পর ইমামের মাধ্যমে দুঃখ কষ্টের জন্য ডাকতে বলেননি, আল্লাহকে সরাসরিভাবে ডাকতে হবে।
১১। আল্লাহ সুবহানাতায়ালা বলেন, তোমরা আমাকেই ডাক এবং আমারই নিকট দোয়া কর। আমি তোমাদের জবাব দেব – দোয়া কবুল করব।

আল্লাহ দোয়া কবুল করার অঙ্গীকার করে বান্দাদের সরাসরি তাহার নিকট দোয়া করার উৎসাহিত করেন। (সুরা বাকারা, আয়াত-১৮৬)। আল্লাহর নিকট কিভাবে দোয়া করতে হবে সুরা আরাফ, আয়াত ৫৫ ও ২০৫ তে উল্লেখ আছে।

১২। সুরা আরাফ, আয়াত ৫৫ ও ২০৫ এ উল্লেখ রহিয়াছে যে, তোমাদের প্রভুকে ডাক বিনীতভাবে ও গোপনীয়তার সাথে। সীমা লঙ্ঘনকারীকে তিনি ভালবাসেন না এবং তোমার প্রভুকে স্বরণ কর নিজের অন্তরে, সবিনয়ে, সভয়ে ও অনুচ্চ স্বরে, চিৎকার করে নয়।
অতএব আল্লাহর নৈকট্য লাভের জন্য শরীয়ত পালন করা ছাড়া আর কোন মাধ্যমে তাকে ডাকার অবকাশ নেই। বান্দার দোয়া আল্লাহর নিকট সরাসরি পৌছে যায়। আল্লাহ সরাসরি বান্দার দোয়া কবুল করে থাকেন।
মাধ্যমে দোয়া করতে বলেন নাই। মাধ্যমে দোয়া করা মক্কার মুশরিকদের কাজ ও শয়তানের প্ররোচনা। আল্লাহ তায়ালা যদি মাধ্যমে দোয়া করার শর্ত আরোপ করতেন তবে রসূল (সঃ) তাহা অনুসরন করতেন।

১৩। সুরা আরাফ, আয়াত ৫৫ ও ৫৬ এর তফশিরে তফশির কারক আল্লামা ইবনু কাছির (রহঃ) বলেন, আল্লাহ বান্দাদেরকে প্রার্থনা করার নিয়ম নীতি শিক্ষা দিয়েছেন। তিনি বলেন, তোমরা অত্যন্ত আন্তরিকতার সাথে সংগোপনে তোমাদের প্রতিপালকের নিকট প্রার্থনা কর।
যেমন তিনি বলেন ঃ- প্রভুকে স্বীয় অন্তরে স্বরণ কর। জনগণ উচ্চ স্বরে প্রার্থনা করা শুরু করে দিয়েছিল। তখন রসুল (সঃ) বলেন, হে লোক সকল ঃ তোমরা নিজের নফস এর উপর দয়া কর। তোমরা কোন বধির ও অনুপস্থিত স্বত্তাকে ডাকছ না। তোমরা যার নিকট প্রার্থনা করছ তিনি নিকটে রয়েছেন এবং সব কিছু শুনছেন।
অত্যন্ত কাকুতি মিনতি ও অনুনয় বিনয়ের সাথে দোয়া করবে। খুবই নত হয়ে সংগোপনে প্রার্থনা জানাবে এবং আল্লাহর একত্ববাদের প্রতি পূর্ণ বিশ্বাস রাখবে। বাগাড়ম্বর করে উচ্চ স্বরে দোয়া করা উচিত নয়। (তফশির নং ৩১১)

১৪। প্রকাশ থাকে যে, মুহাম্মাদীয়া তরিকা (সুন্নত তরিকা) পন্থীর নামায সমাপ্তি হয় সালাম ফিরানোর পর। কিন্তু শয়তান তরিকা পন্থির নামায সমাপ্তি হয় সম্মিলিতভাবে মোনাজাতের পর। ইহাই বেদাআতিদের আকিদা। ফলে তাহাদের নামায কবুল হওয়ার কোন প্রশ্নই উঠে না।
কারণ আল্লাহ সুবহানাতায়ালা কোন তরিকার নামায কবুল করবেন? মুহাম্মাদী তরিকা বা সুন্নত তরিকা। ইসলামে দল একটাই, আল্লাহর দল অর্থ্যাৎ সুন্নত তরিকার দল। তদবিপরীত দল হলো শয়তানের দল।
তাই আল্লাহ রসূল (সঃ) বলেন, আমার উম্মতের মধ্যে ৭৩টি দল হবে, তদমধ্যে ৭২টি দল জাহান্নামে যাবে (তারা বেদাআতি ও পথভ্রষ্ট)।
কেবল মাত্র একটি দল যাহারা আমার ও খলিফায়ে রাশেদার সুন্নত অনুসরন করে অর্থ্যাৎ মুহাম্মদীয় তরিকা (সুন্নত তরিকা) দল জান্নাতে যাবে। তারাই সেরাতুল মুস্তাকিন পথে রহিয়াছে। (জামেউত তিরমিযি, হাদিস নং-২৬৪১)।

১৫। সুরা আন আম, আয়াত ১৫৯ তে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা বলেন, হে নবী (সঃ) যাহারা নিজেরে ধর্মের মধ্যে নানা মতবাদ সৃষ্টি করতঃ ওকে খন্ড বিখন্ড করেছে এবং
বিভিন্ন দলে উপ-দলে বিভক্ত হয়ে পড়েছে তাহাদের সাথে তোমার কোন সম্পর্ক নেই এবং তোমার সাথে তাদেরও কোন সম্পর্ক নেই। এরা হচ্ছে বেদাআতি ও পথভ্রষ্ট সম্প্রদায়। (আল্লামা ইবনুল কাছির (রহঃ) তফসীর নং- ২৩৬)

অতএব, বিদাআতি আমল বর্জন করে আল্লাহর রসূল (সঃ) এর তরিকা অর্থ্যাৎ মুহাম্মদী তরিকা গ্রহণ করতঃ শয়তানের পথ বর্জন করে নবী (সঃ) এর সহজ ও সরল পথে চলুন।

হে আল্লাহ আমাদের নবী করিম (সঃ) এর সুন্নত তরিকার পথে চলার তৌফিক দান করুন। (আমিন)

মোঃ আব্দুর রউফ
উপ-সচিব (অবঃ)
বাসা# ২৭/১, রোড# ০৬,
কেরানীপাড়া, রংপুর।
মোবাইল ঃ ০১৭২৭-৩৫৪০৭৫
[বিঃদ্রঃ নিজে পড়–ন এবং অন্যকে শেয়ার করুন।]