মিয়ানমারে সংখ্যালঘু রোহিঙ্গাদের গণহত্যা করা হয়েছে৷ এজন্য মায়ানমারের সেনাপ্রধানকেই দায়ি করল জাতিসংঘ৷ এর দায় নিয়ে তাঁর বিচার করা উচিত, এমনই মত জাতিসংঘ এর ৷ শুধু সেনাপ্রধানই নয়, আরও বেশ কয়েকজন সেনা কর্মকর্তা এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত বলে মনে করছে ইউএন৷

তবে জাতিসংঘর পর্যবেক্ষণ এই গণহত্যা বন্ধ করা যেত৷ রোহিঙ্গাদের দুর্দশার পিছনে রয়েছে মায়ানমারের সেনার অত্যাচার৷ এজন্য দায় নিতে হবে সেনাপ্রধানকে৷ ইউএনের মানবাধিকার সংগঠনের রিপোর্ট অনুযায়ী রাখাইনে কার্যত নিরাপত্তা ইস্যুকে কেন্দ্র করে অতিরিক্ত রক্ষণশীলতা দেখিয়েছে মায়ানমারের সেনা ৷ এতে যুক্ত হয়েছিল মায়ানমার সরকারের সাহায্য ৷ ফলে রাষ্ট্রের মদতে এখানে সন্ত্রাস চালিয়েছে সেনাবাহিনী বলে মত জাতিসংঘর ।

এই রিপোর্টের ভিত্তিতে পদক্ষেপ নিয়েছে ফেসবুকের মতো বেশ কিছু সোশ্যাল মিডিয়া৷ মায়ানমারের সেনা কর্মকর্তদের ১৮টি ফেসবুক প্রোফাইল, একটি ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট এবং ৫২টি ফেসবুক পেজকে সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে৷ এতে প্রায় ১ কোটি ১২ লক্ষ ইউজারের থেকে তাঁদের আলাদা করে দেওয়া সম্ভব হয়েছে৷

জাতিসংঘর তিন সদস্যের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশন মূলত এই তথ্যগুলি তুলে ধরেছে৷ তাদের মতে এই গণহত্যার জন্য আন্তর্জাতিক তদন্ত কমিটি গঠন করা উচিত ও গোটা ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করা উচিত৷ কমিটি বলছে রোহিঙ্গাদের গণহত্যায় ১০ হাজারেরও বেশি মানুষ মারা গিয়েছেন৷ তাদের মৃত্যুর কোনও বিচার হয়নি৷ বিদ্রোহী দমনের নামে গত বছরের অগাষ্টে রাখাইনে নৃশংস অভিযান শুরু করে মায়ানমার। এই অভিযানের মুখে ৭ লাখের বেশি রোহিঙ্গা মুসলমান পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়।

এই ঘটনায় কমিটি কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে মায়ানমারের নেত্রী আন সান সু কিকেও৷ তাঁদের মতে সু কি এই গণহত্যা আটকাতে পারতেন৷ কিন্তু তিনি নিষ্ক্রিয় ছিলেন৷

 

Share