টিপস্‌

ভুলে যাওয়ার প্রবণতাকে অগ্রাহ্য করবেন না

প্রায়শই  লোকেদের কথাবার্তায় শোনা যায় – কোনও কিছু  মনে রাখা যাচ্ছে না  বড্ড সব কিছু ভুলে যাচ্ছি ৷ যা অনেকে স্মৃতিভ্রংশ বলেও অ্যাখ্যা দিতে চায়৷ অনেকেই আলঝেইমার্স রোগের  কথা শুনেছি ৷ এটা কোনও নতুন বিষয় নয় ৷ বয়েসের সঙ্গে সঙ্গে এই রোগের কোপে পড়েন অনেকেই৷এভাবে ভুলে যাওয়ার পিছনে রয়ে গিয়েছে  ‘মাইক্রোস্ট্রোক’ ৷ অনিয়ন্ত্রিত রক্তচাপের জেরেই স্মৃতি নষ্ট হতে থাকে ৷ কারণ অনিয়ন্ত্রিত রক্তচাপের ফলে মস্তিকে কম রক্ত যায়৷কখনও কখনও ছোট ছোট ‘ব্লাড ক্লট’ সৃষ্টি হয়ে মস্তিকে রক্ত  চলাচলে বাধা পায় ৷ এরফলেই ভুলে যাওয়ার প্রবণতা দেখা যায় ৷
ডাক্তার নওয়াল সিং শেখাওয়াত (ভারত)এই বিষয়েই আলোকপাত করেছেন ৷ এএফএমসি পুনের প্রাক্তনী এই ডাক্তারের এই বিষয়ে রয়েছে বেশ কিছু গবেষণাপত্র৷তাঁর গবেষণায় নজরে এসেছে এভাবে চলাচলের সময় অ্যামাইনো আ্যাসিড হোমোসাইস্টেইন স্তর বেড়ে যাওয়ায় সুক্ষ ভাবে তা গণনা করে বলা সম্ভব কারা  কারা মাইক্রোস্ট্রোকের ঝুঁকির আওতায় রয়েছে ৷

দেখা যায় এইসব ভুলে যাওয়ার বিষয়টা তেমন গুরুত্ব না দিয়ে অগ্রাহ্য করা হয় এবং যথারীতি ডাক্তারের পরামর্শও নেওয়া হয় না ৷ কিন্তু এভাবে সময় পেরিয়ে গেলে মস্তিকের বড় সর ক্ষতি হয়ে যায় ৷ ডাক্তার শেখওয়াতের এই গবেষণায়(ভারত) এখন চিহ্নিত করতে সক্ষম কতটা ঝুঁকি কোন ক্ষেত্রে যা প্রায় দশলক্ষে একজন৷তাঁর এই গবেষণা অ্যামেরিকান আকাডেমি অফ ফ্যামিলি ফিজিসিয়ানস স্বীকৃতি দিয়েছে ৷ যা বার্তা দিচ্ছে প্রতিদিন স্বাস্থ্যকর খাদ্য খাওয়া , ব্যায়াম করা এবং প্রতিনিয়ত ডাক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখলে এবং কাম্য রক্তচাপ বজায় রেখে স্বাস্হ্যের পাশাপাশি স্মৃতিশক্তিও বজায় রাখা যাবে৷