টিপস্‌

শরীরচর্চা নয় আলতো চার স্পর্শে এবার কমবে ওজন

জিমে গিয়ে আর শরীরি কসরত নয়! হালকা মাসাজেই এবার কম হবে দেহের অতিরিক্ত ওজন। না পুরো শরীর মাসাজের কথা হচ্ছে না। তাহলে। আসলে ওজন বাড়া ও কমাটা আমাদের শরীরের মেটাবলিজম তারতম্যের জন্য ঘটে থাকে। তাই যার মেটাবলিজম যত ভালো, তিনি ততটাই স্লিম-ট্রিম থাকতে পারেন। নতুন গবেষণা বলছে ৪টি প্রেসার পয়েন্টে নিয়মিত মাসাজ করলে মেটাবলিজম নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং ফ্যাট জমা হওয়ার হাত থেকে শরীরকে বাঁচায়।

point

নাক এবং মুখের ঠিক মাঝে:
ঘন ঘন খিদে পাওয়া ওজন বাড়ার অন্যতম কারণ। তবে নতুন গবেষণা বলছে, নাক এবং মুখের মাঝ বরাবর ঠোঁটের উপরিভাগে মাসাজ করলে খিদে নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং উদ্বেগ কমায়। ফলে বেশি খেয়ে ফেলার প্রবণতা কমে যায়। দিনে ২ বার ৫ মিনিট করে হাল্কা মাসাজ করুন। এতে কম খিদে পাবে।

হাত:
ছবিতে দেখানো পয়েন্টে মাসাজ করলে শরীরে অতিরিক্ত উত্তাপ বার করে দেয় এবং পরিপাক তন্ত্র ভালো করে। এই পয়েন্টটি শরীরে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট। এই পয়েন্ট থেকে শরীরে এনার্জি পাস করে। দিন ২-৩ বার এক মিনিট করে হাল্কা মাসাজ করুন। দ্রুত উপকার পাবেন।

কান:
কানের এই পয়েন্টে মাসাজ করলে মেটাবলিজম দ্রুত হারে বাড়ে। তাই আপনি খুব সহজেই অতিরিক্ত ওজন কমাতে পারবেন। বুড়ো আঙুল দিয়ে হাল্কা চাপ দিয়ে ক্রমাগত তিন মিনিট ধরে মাসাজ করুন দিনে ৩ বার।

হাঁটুর নীচে:
হজমশক্তি বাড়ানোর জন্য ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ একটি পয়েন্ট। চিনা আকুপাঙ্কচার মতে এই পয়েন্টের নাম জু সান লি। এই পয়েন্টকে ডাক্তারি ভাষায় বলা হয় ‘দ্য পয়েন্ট অফ হান্ড্রেড ডিজিজেস’। অতিরিক্ত ওজনের সমস্যা যাঁরা ভুগছেন তাঁরা নিয়মিত এই পয়েন্টে মাসাজ করলে সপ্তাহে এক পাউন্ড করে ওজন কমাতে পারেন। এছাড়া শরীরে যদি কোথাও ব্যাথাযুক্ত ফোলা ভাব থাকে সেটাও কমাতে সাহায্য করে।দিনে ১০ মিনিট করে দুই হাঁটুর নীচে ক্লক-ওয়াইজ ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে মাসাজ করুন। যদি মাসাজের সময় সামান্য একটু ব্যাথা হয় ভয় পাবেন না। জানবেন আপনি একদম ঠিক মতো মাসাজ করতে পারছেন।