শান্ত বেশ বড় সর একটি কলার ভেলা তৌরী করে ফেলেছে। শেষ বারের মত ভেলাটি বাধতে গিয়ে সে দেখতে পাবে তার শরির চুলকাচ্ছে। জামা খুলে দেখে, বসন্ত তাকেও স্পর্শ করেছে।
দুর থেকে সানির ডাক শুনতে পাবে।
সানি কাছে এসে বসে পরে বমি করবে । শান্ত তাকে জরীয়ে ধরবে।
সানি বলবে।
– শুখবর আছে….
শান্ত বুঝতে পারে এ অন্য কিছু না তাদের সন্তান আসছে। শান্ত তাকে জরীয়ে ধরে উচু করে ঘুরাতে থাকবে…কিন্তু শক্তির অভাবে পরে যাবে…
শান্ত বুঝতে পারে তার গায়ে আর শক্তি নেই..
– শান্ত চল যে করেই হোক আমাদের শহরে যেতে হবে..
– কিন্তু আমিতো শক্তি পাচ্ছি না..
– দুজনে মিলে চেষ্টা করলে পারব…চল..
দুজনে দুটা বাশের লগি নিয়ে ভেলায় উঠে চালাতে থাকবে। এভাবে কতটা সময় চলে গেছে বুঝতে পারবে না। এক সময় শান্ত খুব বেশি অসুস্ত হয়ে পরবে..ভেলার উপর শুয়ে পরবে। সানি একাই চালাতে থাকবে তার খুব কষ্ট হবে। দুরে একটি নৌকা দেখতে পাবে। শান্তকে ডাকবে…
– শান্ত উঠ একটি বোর্ড দেখা যাচ্ছে, শান্ত উঠ…
একসময় নৌকাটি কাছে আসবে। নৌকার ভিতর থেকে বের হয়ে আসবে মার্টিন। ততক্ষনে সনি ভেলার উপর শুয়ে পরবে..মার্টিন সানিকে নৌকায় তুলে নিবে..শান্তর ভেলাকে দুরে শরিয়ে দিবে।
সানি হঠাৎই বুঝতে পাবে শান্তকে না নিয়েই তাকে নিয়ে চলে যাচ্ছে সে উঠে চিৎকার করবে..
– শান্ত..আমি শান্তকে না নিয়ে যাব না, ছেড়ে দাও..
মার্টিন মেয়েকে জোর করে ধরে রাখবে।

ধিরে ধিরে সানিদের নৌকা অনেক দুরে চলে যাবে।
শান্ত মাথা উচু করে দেখবে। শান্তর ঠোটের কোনে এক চিলতে হাসি ফুটে উঠবে এই ভেবে তার অনাগত সন্তান হয়তো বেঁচে যাবে। শান্ত আবার চোখ বন্ধ করে ফেলে।

সানির নৌকা চলতে থাকে সানিকে ও তাদের অনাগত সন্তান বসন্তের ফুল নিয়ে…

সমাপ্ত