১৬

লে র ভিতর, শান্ত বেে শুয়ে ছিল, উঠে বসবে। জানালা কাছে বসে বাইরে তাকাবে। বাইরের দৃশ্য দেখা যাবে, নারিকেল গাছ, খরের পালা, পাট খেত মনে হবে জন মানব শূন্য এসব গ্রাম
রমিজ প্রবেশ করে সকলের দিকে তাকাবে। সবাই চুপ চাপ বসে আছে, কারও মনে আনন্দ নেই কিসের যেন একটা বিশাদ সকলের মধ্যে বিরাজ করছে।
রমিজ শান্তর পাশে গিয়ে বসবে। মুখে বিরক্তির ভঙ্গি প্রকাশ করবে।
– কি মিয়া এমন মরা মানুষের মত বইশা রইলা কেন?

জুবু-ধুবু হয়ে বসে থাকা এক দল বাউল দলের দিকে তাকিয়ে।
এই মিয়া তোমর হাতে ঐটা কি দোতারা না? ভয় ও সংকজ নিয়ে উত্তর দিবে
বাউল : জ্বী..
তার উত্তর শুনে মনে হবে সাথে দোতারা রাখা তার অপরাধ হয়েছে।
রমিজ ব্যাঙ্গ করে বলবে..
– ঐটা বাজে না।
– বাজে।
– তাইলে বইসা রইছেন কেন বাজান গান ধরেন। ( অন্য বাদকেদের উদ্দেশ্যে করে) এই তোমরাও ধর।
বাউল দোতারাকে টুং টাং করে ঠিক করে নিয়ে একটি দুখেরে গান ধরবে।
রমিজের গানটি পছন্দ হবে না সে মুখ বিক্রিত করে বলবে..
– দুর মিয়া দুখের গান গাইতে কইছে কেডায় এমনেই সব মইরা রইছে আনন্দের গান গাও মজার গান ধর.. (শান্তর দিকে তাকিয়ে) কি কও মিয়া।
শান্তও তাই ভাবলো আন্দেদে থাকলে মানুষের মন হালকা হয় তাই সে দেরী না করে উত্তর দিলো..
– হ্যা বাউল চাচা আন্দদের গান গাও মন বলের গান গাও।
জ্যোতি দলের মাঝ থেকে উঠে এসে।
– আমি কি নাচব?
শান্তা বে থেকে দাড়িয়ে বলবে..
– অবশ্যই নাচবে। আমিও নাচব তোমার সাথে। হাত ধর..
বাউল দল তাত খনিক শুর পরিবর্তন করে চমৎকার একটি গান ধরবে। সকলের মন আন্দদে ভরে উঠবে প্রায় সকলেই নাচতে শুরু করবে।

১৭

রাবেয়া কুশি কাটা দিয়ে জামা বানাচ্ছে, সানি শুয়ে ক্যামেরা পরিস্কার করছিল তার কানে ভেসে আসবে গান। সে চট করে উঠে বসবে।

-মাম মিউজিকের শ্বব্দ পেলাম।
উঠে বেরিয়ে যাবে
রাবেয়া চিৎকার করে বলবে
-সানি শোন সানি…