৪৫

ঝরের তিব্রতা এখন চুরান্ত আকার ধারক করেছে, সন্ধা গড়িয়ে রাত হয়ে গেছে অনেক আগেই গুট গুটে অন্ধকার দু হাত সামনের কিছুও দেখা যাচ্ছে না।
লে র সামনের দিকে প্রচন্ড ঝরের মধ্যে সানি রেলিং ধরে ধরে সামনের দিকে এগুচ্ছে ক্যামেরাটা কে দেখা যাচ্ছে আর একটু হলে ক্যামেরা পানিতে পরে যাবে।
দরজায় দারিয় রাবেয়া সানিকে ডাকছে।
সানি ক্যামেরা ধরতেই ক্যামেরা নিচে পরে যাবে। ক্যামেরা নিচ তলার একটি লাঠির মধ্যে আটকে যাবে।
সানি লে র গ্রীল ডিঙ্গিয়ে ক্যামেরা আনার চেষ্টা করবে।

৪৬

সারেং তার রুম থেকে দেখতে পাচ্ছে। সানি যে ভাবে দায়িয়েছে একটু এদিক সেদিক হলে পরে যাবে।
– আরে করে কি করে কি!

৪৬

সানি গ্রীলের বাইরে দাড়িয়ে ক্যামেরা তোলার চেষ্টা করবে।
লে র অন্য প্রান্তে শান্ত ও জ্যতি ক্রস করার সময় জ্যোতি দেখতে পাবে সানি পরে যাচ্ছে। শান্তকে ডেকে দেখাবে..
– ভাইজান দেখ?
শান্ত সানিকে পরে যেতে দেখে দ্রুত সেখানে যাবে।

৪৭

সানি ক্যামেরা তোলার চেষ্টা করবে। ক্যামেরা ধরতেই পা পিছলে পরে যাবে।
শান্ত সানির এক হাত ধরে ফেলবে।

৪৮
সারেং তার রুম থেকে সানি ও শান্তকে দেখতে পাছে সে বুঝতে পারছে দুজনেই পানিতে পরে যাবে আর এই মুহুর্তে পরলে বাচার কোন আশা নাই।
– হায় হায় দুইজনই পইরা যাইবতো..
স্টেয়ারীং ছেড়ে বের হবার চেষ্টা করবে, সাথে সাথে লে র ইঞ্জন বন্ধ হয়ে যাবে। ল ঘুরে জাবে, সাথে সাথে সারেং এসে আবার স্টেয়ারীং ধরবে। ঘন্টা বাজাতে শুরু করবে।

৪৯

ইঞ্জীন রুম হেল্পার ও বশির ইঞ্জীন চালু করার প্রান পন চেষ্টা করছে।