৩০

রহিম পেট ভরে ভাত খেয়ে মজীদের বারান্দয় বসে আছে, পাশে বিশাল আকারের দা। সে আকাশের দিকে তাকাবে। আকাশে কাল মেঘ জমেছে, অন্ধকার হয়ে আসছে চার দিক। সে রাম দা নিয়ে দাড়াবে। বারান্দা থেকে নেমে হাটতে শুরু করবে।

৩১

বশিরের হাতে লে র পাখা নিয়ে আসতে দেখা যাবে। সবাই উদবিগ্ন হয়ে তার দিকে তাকিয়ে আছে। সারেং বশিরকে দেখে একটু বেশি উত্তেজিত হয়ে উঠবে সে আকাশের দিকে একবার তকাবে। বশিরকে ধমকের শুরে বলবে..
– আবে বান্দির পোলা এত ক্ষন লাগে।
– ওস্তাদ গালা গালি কইরেন না অনেক কষ্টে পাইছি।
আবে কথা না কইয়া তারা তারি লাগা ঝড় আইতাছে।
যন্ত্রপাতি বশিরের কমরেই ছিল সেগুলো বের করে কোন কিছু চিনতা না করেই পানিতে ঝাপ দিয়ে ডুব দিবে।
সানির মা রাবেয়া উদবিগ্ন ভাবে সানিকে খুজতে থাকবে, সারেংকে উদ্দেশ্য করে বলবে।
– আমার মেয়েটা তো এখনো এলো না সারেং সাহেব কাউকে পাঠিয়ে দেখুন না রাস্তা হারিয়ে ফেলল কিনা।
এইই মধ্যে রমিজ রাবেয়ার পাশে এসে দাড়াবে। অনেকটা আগ বাড়িয়েই বলবে..
আপনে চিন্তা কইরেন না ভিতরে জান আমি দেখতাছি।
বলেই সে শিরর সাহায্য ছাড়া লাফ দিয়ে নিচে নেমে যাবে।
শান্ত একটু এগিয়ে এসে দেখবে রমিজ লাফ দিয়ে তার দিকে তাকিয়েছে শান্তর দিকে তাকিয়ে চোখ টিব দিবে।
শান্ত রমিজের এমন আচরনে অবাক হবে তার মনে সন্দেহ যাগবে তার মনে হবে সানি ল থেকে পরে যাওয়ার সময় তার হাত ধরে তুলে আনার বিষটি কি অসভন ভাবে বলেছিল।

৩২

মেঘলা আকাশের কারনে বনের ভিতরটা অন্ধকার হয়ে গেছে ইতি মধ্যে বাতাস ছুটতে শুরু করছে। জ্যোতি ও সানি জংলা থেকে বের হবার চেস্টা করছে।

অন্য দিকে রহিম দা হাতে জংলার রাস্তা ধরে হাটছে এবং সে এদিকেই আসছে। তার মনষিক অবস্থা এমন হয়ে গেছে সে কোন মানুষ দেখলেই দা দিয়ে কোপ দিয়ে দুটুকরো করে দিবে। কারন সে যানে কোন সুস্থ মানুষ তাকে বাচিয়ি রাখবে না। তার এই বিভৎস চেহারা দেখে যে কেউ ভয় পাবে।

এদিকে রমিজও খুজে বেড়াচ্ছে সানিকে।

৩৩

ল স্টার্ড দেয়া হয়েছে সকলে অপেক্ষা করছে, সানির জন্য। রাবেয়া ও শান্তকে উদবিগ্ন দেখা যাবে। শান্তোর কেন যেন মনে হচ্ছে রমিজের কারনে হয়ত সানি বিপদে পরবে নিজেকে ধরে রাখতে না পেরে লাফ দিয়ে ল থেকে নেমে বনের দিকে দৌড় দিবে।

৩৪

অনেকটা গহিন বনের ভিতর জ্যোতি সানিকে ধরে টানছে। সানির জামা একটি খুটিতে আটকে আছে। সানি খোলার চেষ্টা করছে

রহিম দা হাতে হাটছে সে জ্যোতির গলার শব্দ পাবে। সে তার হাটার দিক পরিবর্তন করে সানিদের দিকে এগুতে থাকবে।