১৮

শান্ত, জ্যোতি রমিজ সহ অনেক যাত্রি নাচছে। সানি এসে খুব মজা পাবে সে একের পর এক ছবি তুলবে। শান্ত সানিকে নিয়ে নাচতে থাকবে, সানিও গান নাচে সামিল হবে।
গান শেষ হতেই ল টি একটি ঝাকি দিয়ে বন্ধ হয়ে যাবে।
হেল্পার দৌারে এসে চিৎকার দিয়ে বলবে। গান বজনা বন্ধ করেন ল চরে আটকাইছে। যাত্রিদের মধ্যে ভয় মিশ্রিত গু ন শুরু হবে।

১৯

দুর থেকে দেখা যাবে ল টি নদীর প্রায় মাঝ খানে আটকে আছে। ল থেকে নেমে মাটি শরানর চেষ্টা করছে অনেকে, লগি দিয়ে ধাক্কা দেয়ার চেষ্টা করছে।
যাত্রিদের প্রায় সকলেই বাইরে দাড়িয়ে দেখছে।
একসময় ল চর থেকে পানিতে নামবে। সকলে ভিতর একটি আনন্দের গুঞ্জন শোনা যাবে।
লে র ঘন্টি বাজতে থাকবে একের পর এক, লে শব্দ বাড়তে থাকবে কিন্তু ল একটুও অগ্রসর হবে না। ইঞ্জীনের ভট্ ভট্ শ্বদ হতে থাকবে।

সারেং রুমে বসে গোফ আচরাবে, রমিজ ও শান্তর প্রবেশ করবে সারেং দেখেও না দেখার ভান করে গোফ আচরাতে থাকবে। রমি জিজ্ঞেস করবে
– কি ব্যাপার কি হইছে?
সারেং রমিজকে দেখে বিরক্ত হয়ে…
-জানিনা।
– সারেং কে আমি না আপনে?
সারেং অপমান বোদ করবে।
সারেংর এমন অবহেলা পূর্ন উত্তর শান্তর ভালো লাগলো না সে খুব সচেতন হয়ে যানতে চাইলো
– সারেং চাচা কি হয়েছে বলুনত?
– ব্লেড ভইঙ্গা গেছে।
রমিজ বিষয়ে নিয়ে জানতে চাইবে..
– হায় হায় তাহলে এখন!
শান্তা বাইরের দিকে তাকিয়ে কোন গ্রামে আছে বোঝার চেষ্টা করবে.
এক্সট্রা ব্লেড কি লে নেই?
সারেং র্নিলিপ্ত উত্তর
– না।
শান্তা- এখন তাহলে কি করবেন?
সারেং- লগি দিয়া ধাক্কাইয়া কালি পারা হাট যাইতে হইব।
রমিজ- কালি পাড়াতো প্রায় দুই মাইল। এই শ্রোতে এক হাত আগালে তিন হাত পিছাইব।
সারেং – সেইটাইতো ভাবতাছি।
শান্তা – এক কাজ করলে কেমন হয়, ল পারে নঙড় করে কাউকে কালি পাড়া পাঠালে…
সারেং – হু এইডাই করতে হইব। এই বশিরা….বশিরা..

বশির লগি রেখে আসবে।

– ওস্তাদ।
– পারে নঙড় কর। কালি পাড়া যাবি পাঙ্খা লইয়া তাড়া তারি আবি।
– আচ্ছা ওস্তাদ। (প্রস্থান)
বশির ও হেল্পার দুজনে লগি দিয়ে ঠেলে ঠেলে ল পারে ভিরানোর চেষ্টা করবে।