৭৮
শান্ত কোদাল দিয়ে কবর দেয়ার কাজ শেষ করবে। একটু দুরে সানি পাথরের মত দাড়িয়ে থাকবে।
সানি জ্যতির মজার মজার কথা গুলো কল্পনা করবে।
শান্ত কবর দেয়া শেষ করে সানিকে ডাকবে। – চল..
সানি কিছু ক্ষন পর সম্মিত ফিরে পাবে, শান্তর পিছু পিছু হাটতে থাকবে। নদির পার এসে দাড়াবে।
সূর্য ডুবতে দেখা যাবে।

৭৯

সানি শুয়ে ছিল হারিক্যানের আলো বাড়াবে।

জঙ্গলের ভিতর দিয়ে রহমত দা হাতে আসছে।

সানির ভয় ভয় লাগছে হারিক্যান নিয়ে বের হবে।

৮০

শান্ত মাথার নিচে হাত রেখে চিন্তা করছিল। সানির প্রবেশ। হারিকেন রেখে শান্তর পাশে বসবে।
– ভয় করছে..
– কিছুক্ষন তাকিয়ে থেকে হাত বাড়াবে।
সানি তার হাত কাপতে থাকবে, শান্ত অন্য হাতে সানির চিবুকে হাত রেখে তাকাবে।
সানি শান্তর বুকে মাথা রাখবে। শান্ত হ্যারিক্যানের আলো নিভেয়ে দিবে।

৮১

চাদের আলোয় সানি কুয়া থেকে পানি তুলে গোসল করছে। তার দেহ অনেকটাই নগ্ন আলো আধারিতে তার পিছনের দিকটা দেখা যাচ্ছে। সামনে থেকে একটি জামা বুকের উপর নিয়ে ঘুরতেই দেখা যাবে। রহমত তাকে জরিয়ে ধরে মুখে হাত চাপা দিয়ে তুলে নিয়ে যাবে।
৮২

শান্তু শব্দ পেয়ে বিছানা থেকে লাফ দিয়ে উঠবে। বের হয়ে আসবে।

৮৩

শান্ত দৌড়ে উঠানে আসবে। কুয়া তলায় যাবে..
সানি….সানি…
চিৎকার করে ডাকবে সারা শব্দ না পেয়ে খুজতে থাকবে।

৮৪

সানি, রহমত, শান্ত
সানিকে জঙ্গলের ভিতর এনে ফেলে দিবে।
সানি ছাড়া পেয়ে দৈড়াতে থাকবে।
এক সময় হোচট খেয়ে পরে যাবে।
রহমত আস্তে আস্তে এগিয়ে এসে দা উচু করে কোপ দিতে নিবে।
পিছন দিকে থেকে শান্ত একটি বাশ দিয়ে রহমতের মাথায় আঘাত করবে।
রহমত মাটির উপর লুটিয়ে পরে যাবে।
সানি এসে শান্তকে ধরবে।
শান্ত রহমতের পরে যাওয়া দাটি তুলে নিবে।
একটি কলা গাছে কোপ দিবে। গাছটি পরে যাবে।

৮৫

শান্ত একের পর এক কলা গাছ কাটবে। সেগুলো তুলে নিয়ে নদীর পার জরো করবে।
এ ভাবে কয়েএকটা দিন কেটে যাবে।

৮৬

ঘর থেকে বের হয়ে বমি করবে। প্রথমে কষ্ট অনুভব করবে পরে হাসবে। উঠানে এসে বসবে। পা চুলকাতে থাকবে। পা থেকে জামা সরিয়ে দেখবে। জ্যোতির মত তার পায়েও একই ইনফেক্শন। সে উঠান ছেড়ে শান্তর উদ্দেশে দৌড় দেয়।