২০

রহিম নদির পারে বালুর চরে শুয়ে আছে। তার শরিরে অসংখ গুটি বসন্তের দাগ। সে অজ্ঞান হয়ে পরে ছিল। আস্তে আস্তে চোখ খুলবে অনেক চিল শকুন উরতে দেখা যাবে। হঠাৎ উঠে বসবে। নিজের শরির দেখে ভয় পাবে। প্রচন্ড খুদা অনুভব করবে। নদী থেকে পানি খাবে। উঠে দাড়াবে। হাটতে থাকবে।

২১
মজিদ মোল­ার বাড়ি মজিদ অজু করে আশে-পাশে দেখে ঘরে ডুকে দরজা বন্ধ করে দিবে।
মজিদ রুমে প্রবেশ করে, নামাজে দাড়াবে। এক পাশে কমলা মাটির চুলায় ভাত রান্না করছে। চুলার ধোয়া জানালা হয়ে বাইরে চলে যেতে দেখা যাবে।

রহিম মজিদের উঠানে এসে দাড়াবে।

নামাজ শেষ করে স্ত্রীর উদ্দেশ্যে..
বুঝলা গ্রামের সবাই ঢাকা চইলা গেছে। আমারতো মনে হয় আমরা দুইজন ছাড়া এই গ্রামে কোন লোকজন নাই।
আমগও চইলা যাওন উচিৎ আছিল।
– আল­ার উপর ভরসা রাখ আল­াই আমাগ দেখব। এই গ্রামে যখন কোন মানুষ নাই রোগ ছড়ানরও ভয় নাই দেও ভাত দেও।

ভাত খেতে বসবে।

রহিম মজিদের জানালায় এসে দাড়াবে।
মজিদ জানালার কাছে শ্বব্দ পেয়ে আতকে উঠবে, ঘুরে তাকাবে..
– এই কেডারে!
কমলা এদিক সেদিক তাকিয়ে..
– কারে কন?
জানালার কছে শব্দ পাইলাম।
উঠে একটি বাশের লাঠি নিয়ে ঘর থেকে বের হবে।

২৩

মজিদ বাঁশ হাতে উঠানে বের হয়ে আসবে। রহিম লুকিয়ে যাবে। মজিদ চিৎকার করে বলবে..
– ঐখানে কেডারে। বাইরো।
রহিম বের হয়ে আসবে। তার মুখ মন্ডল ভিভৎস তাকে দেখতে ভয়ঙ্ক দেখাবে.
মজিদ রহিমের বিভৎস মুখ দেখে ভয় পাবে।
– লাই লাহা ইল­ালাহ্…এই গেলি..
রহিম দু হাত জোর করে আকুতি করে বলবে..
– একটু ভাত দেও..খিদার জালায় আর চলেনা..
ভাত দিমু! গেলি..
বাঁশ উচু করে তাড়া করবে।
রহিম পরি মরি করে দৌড় দিবে।
মজিদ কিছু দুর গিয়ে খুজে না পেয়ে ফিরে আসবে। বির বির করে বলবে..
– এইডা আমি কি দেখলাম লাইলাহা ইল­ালাহ্।

২৪

রহিম একটি খালি বাড়িতে গিয়ে লুকাবে। সেখানে দেখতে পাবে বাঁেশর খুটিতে গুজে রাখা একটি বড় আকারের সেনা দা। সে দা নিয়ে হিংশ্র ভাবে তাকাবে।