২৮

ল তিরে ভিরান আছে কাউকে নামতে দেয়া হচ্ছে না । অনেকে বারান্দায় দারিয়ে। ইঞ্জীন অপারেটর বশিরের আসার অপেক্ষা করছে। কখন সে পাখা নিয়ে ফিরে আসবে..
সানি লে র সামনে এসে দাড়াবে লে র হেল্পার বসে বসে বিড়ি ফুকছিল সানিকে দেখে ফেলে দিবে। সানি দেখবে সবাই তার দিকে তাকিয়ে আছে হেল্পারকে লক্ষ করে বলবে..
– আমি নিচে নামব।
– সারেঙ্গের নিষেদ আছে।
আমি নামব।
একটু জেদি কন্ঠে কথাটি বলবে।
– সারেঙ্গের ওডার ছাড়া সিড়ি ফালান যাইব না।
আমি বলছি আমি নামব।
সারেং এতটু দুরেই দাড়িয়ে ছিল সানির কথা শুনে দ্রুত তাদের কাছে চলে আসবে।
– এই ব্যাটা সিড়ি ফালা। তুই কারে না করছ। যান মা আপনে নামেন। বেশি দুরে যাইয়েনা। পাখা নিয়া এখনই বশিরা আইসা পরব।
জ্যোতি লাফাতে লাফাতে সানের কাছে এসে তার হাত ধরবে।
সানি অবাক হয়ে জ্যোতিকে জিজ্ঞেস করবে..
– কি নাম তোমার ?
– জ্যোতি ।
– জ্যোতি তুমি খুব ভালো নাচ। যাবে আমার সাথে?
জ্যোতি হ্যা সুচক মাথা নাড়াবে।
সানি জ্যোতিকে নিয়ে নিচে নামবে।
সকল যাত্রি তাদের দিকে তাকিয়ে থাকবে।
সানি ও জ্যোতি হাটতে হাটতে অনেক দুরে চলে যাবে।

২৯

সানি ও জ্যোতি কথা বলতে বলতে গাছ গাছালি ঘেরে বনের দিকে যাবে। সানি জ্যোতির কাছে অনেক কিছু জানতে চাইবে।
তুমিকি এই গ্রাম চিন।
জ্যোতি বলবে..
– হ্যা চিনি। এই গ্রামে কত পালা করছি।
– পালা কি?
– বোকা পালা বোঝে না। পালা হল গানের দল..
– তোমার মাথায় তো অনেক বুদ্ধি..
– হ সবাই কয় এই দিকে দিয়া আসেন এই দিকে একটা বাগান আছে…
– চল..
– তুমি নাকি বিদেশি মেম রানী..
সানি হাসবে
– কে বলেছে?
– লে র সবাই বলে।
– না আমি রানিও না বিদেশীও না
কথা বলতে বলতে একটি বাগানের কাছে চলে আসবে। সানি অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকবে। “ওয়াও” বলে চিৎকার দিয়ে একের পর এক ছবি তুলবে, সে অনেকটা পাগলের মত ছুটা ছুটি করতে থাকবে, জ্যোতি মজা পাবে। এক সময় একটি কাঠ বিড়ালী দেখতে পাবে। সানি কাঠ বিড়ালীর ছবি তোলার জন্য তার পিছু নিবে। সে আস্তে আস্তে জংলার ভিতরে চলে যাবে..