দৃশ্য-৩

নদীর পার দিয়ে গরু নিয়ে নিয়ে আসছিল ১৩-১৪ বৎসরের এক বালক নাম রতন। তার পাশ দিয়ে মোটা মোটি দৌড়ে যাচ্ছে গনেষ।

বালকটি ব্যঙ্গ করে বলবে,
-কাহা সকাল সকাল দৌড়াও কে?
গনেষ বাকা চোঁখে রতনের দিকে তাকাবে, তার বুঝতে বাকি থাকবে না যে সে বজ্জাত রতনের পাল্লায় পরেতে যাচ্ছে, এই বদটা এখন তার সাথে বজ্জাতি করবে। গ্রামের প্রতিটি মানুষ এই ছেলেটির প্রতি বিরক্ত। এর গাছের আম, ওর গাছের কাঠাল সে তার নিজের মনে করেই পেরে নিয়ে আসে, যেন পুর গ্রামটাই তার ঠাকুরদার দান কিন্তু তার পরেও তাকে কেউ কিছু বলে না। গ্রামের মানুষের বিপদে-আপদে এটা সেটা করে দেয়াতে তার কোন জুরী নেই। গনেষ বিরক্ত বঙ্গিতে উত্তর দেয়..
-কথা কইস না নিজের কামে যা।
-কাহা চেত কে? বাড়ির সবাই বালা?
-বালা..
-বাড়ির গরু ছাগল হাস মুরগী সবাই বালা?

গনেষ রেগে ছাতা উঠিয়ে রতেনকে তার করে।

-এই বজ্জাত তর বজ্জাতি এখনো গেল না।
রতন উল্টো দিকে দৌড় দেয়।

গনেষ তার পিছু তারা করে কিছু দুর গিয়ে ফিরে আসতেই। রতন আবার চিৎকার করে বলে।

-আট কুড়া বুইড়া…হি! হি!!
হাসে এবং আবারো একই কথা বলে
-আট কুড়া বুইড়া…হি! হি!!
গনেষ আবরও রেগে গিয়ে ।
-তারা করে রতনকে।

দৌড়াতে দৌড়াতে রতনকে পানিতে নামিয়ে ছাড়ে।
রতন এক ডুবে নদীর কিছুটা মাঝ খানে গিয়ে উঠে।

গনেষ গজ গজ করতে করতে নিজের গন্তব্যে হাটতে থাকে।
– বজ্জাত, শাস্ত্রে কি আর সাধে জাতের কথা বলা আছে। বজ্জাত কোথাকার…
রতন মাঝ নদী থেকে চিৎকার করে বলতে থাকবে।
-আট কুড়া বুইড়া! আট কুড়া বুইড়া!! হি ! হি !!
হাসতে হাসতে পাড়ের দিকে আসে

গনেষ তার হাটার গতি আরো বাড়িয়ে দেয় অন্যদিনর মত আজ তার হাতে সময় নেই তাকে আজ একটি জরুরী কাজ করতে হবে, এমনিতেই অনেক দেরী হয়ে গেছে।

বসন্তের ফুল | Page -3