৩৫

সানি জামা ছাড়াতে না পেরে ছিরে ফেলবে। বাতাস ও বৃষ্টির পরিমান এরই মধ্যে অনেক বেড়ে গেছে।
সানি তাকে টেনে নিয়ে আসতে থাকবে। এরই মধ্যে রমিজ এসে সামনে দাড়াবে রমিজ খুব আপন জনের মত করেই বলবে।
– কই যাইতাছ?
সানির জামার নিচের প্রায় অর্ধেক ছেড়া, সে একটু জর-সর হয়ে দাড়াবে।
– আমরা পথ হারিয়ে ফেলেছি।
রমিজ সানির দিকে একটু লভনিয় দৃষ্টিতে তাকাবে।
আরে আপনারাত ভুল করতাছেনা রাস্তাতো এই দিকে। (উল্টদিক দেখাবে) চলেন আমার হাত ধরেন।
সানি হাত ধরবে। সঙ্গে সঙ্গে জ্যোতি চিৎকার করে উঠবে..
– না এই দিকে। আপা এই দিকে
সানির হাত ধরে টানবে।
রমিজ জোর করে সানিকে বনের ভিতরে নিয়ে যেতে নিবে। জ্যোতি চিৎতার করে বাধা দিবে..
– এই ছাড় ছাড়..
রমিজ জ্যোতিকে ধাক্কা দিয়ে শরিয়ে দিবে। জ্যোতি একটি গাছের গুড়িতে ধাক্কা লেগে পরে যাবে।
সানি বুঝতে পাবে সামদিং রং
– এই কি করছ!
– চলেন সবাই আপনার জন্য অপেক্ষ করতাছে।
– না আমি যাব না।
রমিজ জার করে সানিকে টেনে নিয়ে যাবে)
সানি চিৎকার করতে থাকবে..
– ছারও ছারও আমাকে।
রমিজ সনিকে টেনে বনের ভিতরের দিকে নিয়ে যাবে।

৩৬

জ্যোতি দুর থেকে শান্তকে আসতে দেখবে সে চিৎকার করে ডাকবে..
ভাইজান, ভাইজান ।
শান্ত জ্যোতিকে দেখতে পাবে সে জ্যোতির কাছে আসতেই জ্যোতি খুব দ্রুত উচ্চারন করবে
– ভাইজান আপারে এদকি নিয়া গেছে..
শান্ত জ্যোতির এক হাত ধরে টান দিয়ে উঠিয়ে বনের ভিতর দিকে যাবে।