৩৭

রমিজ সনিকে জোর করে নিয়ে বনের ভিতরে একটি যায়গায় এসে দাড়াবে। সানি রমিজের হাত থেকে নিজেকে ছাড়াতে চেষ্টা করবে।

রামিজ সানির সাথে জোরা-জুরী করে না পেরে চর মারবে। সানি মাটিতে পরে মাথায় আঘাত পাবে। জ্ঞান হাড়াবে।
রমিজ লোভনিয় ভঙ্গিতে নিজের জামা খুলতে থাকবে।

শান্ত দুর থেকে রমিজকে দেখতে পাবে। তার আশে-পাশে খুজে একটি ছোট গাছ উপরে নিয়ে রমিজের দিকে এগিয়ে যাবে।
রমিজ সানির উপরে ঝাপিয়ে পরার সাথে সাথে শান্ত সজরে রমিজের মাথায় আঘাত করবে।
রমিজ শান্তকে আক্রমন করতে এলে শান্ত আবার আঘাত করবে। রমিজ পরে যাবে। জ্ঞান হারাবে।
শান্ত জ্যোতি ও জ্ঞান হিন সানিকে দু হাতে তুলে নিয়ে নিয়ে চলে আসবে। এদিকে ঝড়-বৃষ্টি পুরোপুরি শুরু হয়ে গেছে।

৩৮

প্রচন্ড ঝড়ের মধ্যেও সবাই বাইড়ে দাড়িয়ে অপেক্ষা করছে শান্তদের আসতে দেখে একটি গুঞ্জন শুরু হবে।
শান্ত সানিকে কোলে করে লে উঠে আসবে। রাবেয়া মেয়েকে পেয়ে চিৎকার করে কাঁদতে শুরু করবে।
সানি মা আমার কি হয়েছে তোর।
শান্ত রাবেয়াকে উদ্দেশ্য করে বলবে।
– ও জ্ঞান হারিয়েছে কিছুক্ষন রেস্টে নিলেই জ্ঞান ফিরে আসবে।
পুলিশ দুটি এসে সানিকে ধরা ধরি করে কেবিনের দিকে চলে যাবে।
সারেং একবার শান্তর দিকে তাকিয়ে বাইরে তাকবে। রমিজকে খোজার উদ্দেশ্যে,
শান্ত ও জ্যোতির দিকে তাকিয়ে বুঝতে পারবে। রমিজ র্নিঘাত কোন অপ কর্ম করেছে। সে দ্রুত তার রুমে গিয়ে ব্যাগ গিয়ারের বেল বাজাবে।
ল প্রথমে পিছনে পরে ঘুরে সামনের দিকে চলতে শুরু করবে।
শান্ত ঘাটের দিকে তাকিয়ে থাকবে।
দুর থেকে দেখা যাবে রমিজ চিৎকার করে ডাকছে।
শান্ত ঘুরে দাড়াবে।

রমিজের অবাক বিষ্ময়ে লে র চলে যওয়া দেখছে
তার ঠিক পিছনে এসে দাড়িয়েছে রহিম।
রমিজ হঠাৎ ঘুরে দাড়াবে।
রহিমের বিভৎস মুখ দেখতে পাবে
রমিজ রহিমে বিভৎস মুখ দেখে ভয়ে চিৎকার দিবে।
রহিম রাম দা উচু করে তার গলায় কোপ দিবে।

৩৯

মাটির্ন একের পর এক ফোন করে যাচ্ছে। সে খুব উদবিগ্ন। বাইরে ঝর-বৃষ্টি হচ্ছে। রহমতের রুমে প্রবেশ করে জানতে চাইবে..
– বাবু কোন খোজ পেলেন?
– না শুধু জানতে পেরেছি। দেট ওয়াজ লাস্ট শিপ। ঐ সময়ে ছেড়ে যাওয়া কোন শিপ এখনও ঘাটে পৌছাইনি।
– আমার খুব ভয় করছে বাবু।
– ভয়তো আমারও করছে। গাড়ি বের করতে বল আমি ঘাটে যাব।
– ঘাটেতো লোক গেছে।
– তারপরেও আমি যাব।
আমি এখনি বলছি।
রহমত খুব দ্রুত বের হয়ে যাবে।
মার্টিন আবার ফোনের ডায়াল ঘোড়াবে।