৭৭

সানি জ্যতিকে শান্তনা দিয়ে কপালে হাত রাখবে।
তোমার গায়েতো অনেক জ্বর। শুয়ে পর। পিছনে হাত দিয়ে শোয়াতে নিবে। জ্যোতি “উহ্” বলে চিৎকার করে উঠবে।
আনি বিশ্বয়ে জিানতে চাইবে..
পিঠে কি হয়েছে? দেখি।

জামা উচু করে দেখবে অনেক ক্ষত দাগ..হাত দিয়ে দেখতে নিবে..
শান্তর প্রবেশ…
ডোন্ট টাচ..
শান্ত হাতে একটি গামছা পেচিয়ে জ্যতির জামা খুলে চার দিক দেখবে।
ও মাই গড..
সানি শান্তুর মুখের দিকে তাকিয়ে যানতে চাইবে…
– কি হয়েছে…!
– সি ইজ ইনফেক্টেড বাই পক্স…। এই গ্রামে থাকা আমাদের জন্য নিরাপদ না।
– কিন্তু কি ভাবে যাব..
– পায়ে হাটা রাস্তা জানা থাকলে ভালো হতো.
আমি চিনি কাল তোমাদের পথ দেখিয়ে নিয়ে যাব।
জ্যোতি উৎসাহ নিয়ে বলবে
– ঠিক আছে এখান ঘুমিয়ে পর।
– ঘুম আসেনা ব্যাথা..
শান্ত সানিকে বলবে..
– তুমি এক কাজ কর গরম পানি করে নিয়ে এসো.. পরিস্কার করে একটু সেক দিলে আরাম পাবে।
সারারাত তারা জ্যোতিকে নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পরবে। ধিরে ধিরে জ্যোতির অবস্থা খারাপের দিকে যাবে।
সানি গরম পানি করবে। শান্ত পরিস্কার করে শেক দিবে। জ্যোতি অনেকবার বোমি করবে।
– ভাইজান আমি কি মইরা জামু..
শান্ত কোন কথা বলবে না সে জ্যোতির কথায় কষ্ট পাবে সানি কেদে ফেলবে।
– ভাইজান সকাল হইতে আর কতক্ষন?
– কেন?
– আপনেগ পথ চিনাইয়া লইয়া যামু…
– এখন চুপ থাক..
একটা গান শুনবেন…
দু’লাইন গান গাইবে। এক সময় তার শরির নিস্তেজ হয়ে পরবে সে মারা যাবে।
শান্ত জ্যোতি করে চিতৎকার করবে তার নাড়ি দেখবে তার দিকে পাথরের মত তাকিয়ে থাকবে।
সানি তখনও জ্যোতির মাথায় জল পট্টি দিচ্ছিল..
– কি হয়েছে?
– চাদর দিয়ে জ্যোতিকে ঢেকে দিবে।
– নো…. বলে কান্নায় ভেঙ্গে পরবে।

৭৮

শান্ত কোদাল দিয়ে কবর দেয়ার কাজ শেষ করবে। একটু দুরে সানি পাথরের মত দাড়িয়ে থাকবে।
সানি জ্যতির মজার মজার কথা গুলো কল্পনা করবে।
শান্ত কবর দেয়া শেষ করে সানিকে ডাকবে। – চল..
সানি কিছু ক্ষন পর সম্মিত ফিরে পাবে, শান্তর পিছু পিছু হাটতে থাকবে। নদির পার এসে দাড়াবে।
সূর্য ডুবতে দেখা যাবে।

৭৯

সানি শুয়ে ছিল হারিক্যানের আলো বাড়াবে।

জঙ্গলের ভিতর দিয়ে রহমত দা হাতে আসছে।

সানির ভয় ভয় লাগছে হারিক্যান নিয়ে বের হবে।