৭০

হ্যারিক্যানের আলো জলছে। জ্যোতি শুয়ে শুয়ে তার শরির চুলকাচ্ছে। পিঠের দিক থেকে জামা উঠিয়ে দেখবে। তার শররি লাল হয়ে ফোসকার মত হয়ে যাচ্ছে। সে ভয় পাবে।

৭১

রহমতের মুখ বিভৎস অনেকটা পোচে যাওয়ার মত। দা হাতে জঙ্গল দিয়ে হেটে আসবে।
তার বাড়িতে আলো জলতে দেখে দাড়াবে।

৭২

শান্ত মাছ ভেজে প্লেটে রাখবে। সানি উঠিয়ে শান্তর মুখে তুলে দিবে।
আশে পাশে শব্দে শুনতে পাবে। শান্ত হঠাৎ বোঝার চেষ্টা করবে কিসের শব্দ। সানি জনতে চাইবে..
– হয়াট হেপেন?
শান্তা সানিকে ইশারায় চুপ করতে বলবে। আর কোন শব্দ শুনতে না পেয়ে নিজের কাজে মন দিবে।

৭৩
জ্যোতি দাড়িয়ে পুরে শুরর দেখার চেষ্টা করবে অনেক যয়গায় ফোসকা দেখতে পাবে। বিছানায় শুয়ে পরবে। তার গায়ে জ্বর। জানালার কাছে শব্দ পেয়ে জানালার দিকে তাকাবে। রহমতের বিভৎস মুখ দেখতে পাবে। জ্যোতি ভয় পেয়ে চিৎকার দিবে।
রহমত সরে যাবে।

৭৪

সানি ও শান্ত চিৎকারের শব্দ পেয়ে। জ্যোতির কাছে ছুটে যাবে।

৭৫

সানি ও শান্ত ঘরে প্রবেশ করবে।
ভুত..ভুত
জ্যোতি চিৎকার করবে। কাপতে থাকবে।
শান্ত চার পাশ দেখবে। ঘরথেকে একটি দা নিয়ে বের হয়ে যাবে।
সানি জ্যতিকে জরীয়ে ধরে শান্তনা দিবে।

৭৬

চাদর মুড়ি দেয়া রহমতকে পালিয়ে যেতে দেখবে। শান্ত তার পিছু নিবে। কিছু দুর যাবার পর তাকে না পেয়ে ফিরে আসবে।