৫০

একটু দুর থেকে দেখা যাবে ল টি একটি পাক খেয়ে এক পাশে পড়ে যাচ্ছে। মুহুর্তে মধ্যে জ্যোতি পানির মধ্যে ছিটকে পরবে, শান্ত ও সানি এক শাথে পানিতে পরে হাবু ডুবু খেতে থাকবে শ্রোতের টানে তারা ল থেকে অনেক দুরে শরে যাবে।

৫১

ল টি এক পাশে উল্টে গেছে ভিতরে সবাই নিজেগে সোজা করে নিয়ে ছোটা ছুটি করার চেষ্টা করছে প্রচন্ড বেগগে পানি ঢুকছে । কেউ কেউ জানালা খুলে বের হতে নিবে অন্যেরা তাকে ধরে বের হতে চাইবে। কেউ বের হতে পারবে না।

৫২
রাবেয়া পানির মধ্যে হাবু ডুবু খেয়ে বাচাঁর চেষ্টা করছে উপরের দিকে হাত বাড়িয়ে হাতরাচ্ছে এক সময় হাত পা ছোরা বন্ধ হয়ে যাবে অসার হয়ে পরবে তার দেহ।

৫৩

দুর থেকে লে র শেষ অংশ ডুবে যেতে দেখা যাবে।

৫৪

ঝর বৃষ্টি হচ্ছে একটি দুটি ল ঘাটে ভিরেছে মার্টিন ও রহমত দৌড়ে লে র কাছে আসছে ছোটা ছুটি করে সানি ও রাবেয়াকে খুজছে।
রহমত একটি যাত্রিকে দাড় করিয়ে জানতে চাইবে।
– ভাই অন্য লে র খবর কি?
– অনেক ল ডুবছে। নদিতে লাশ আর লাশ।
– আপনেগ পিছনে আর কোন ল কি দেখছেন?
না এইডাই শেষ ল তিন ঘন্টা দেরি করছে পাঙ্খা ভাঙ্গছিল।
এরই মধ্যে মার্টি এসে তাদের সাথে সামিল হবে..
– রহমত হয়াট হেপেন এনি নিউজ?
– নো সার।
বকুল তলা থেকে উনার মাইয়ার আসার কথা। (যাত্রিটি আগ্রহ নিয়ে বলবে)
রহমত উত্তর দিবে।
– হ ভাই তারে দেখছেন?
– না (বলে চলে যাবে)
– কী বলে?
– নাথিং সার। আমার মনে হয় ঝর বৃষ্টি দেখে আজ আসে নাই কাইল আসব।
– না রহমত আজই আশার কথা কাল আমাদের ফ্লাইট ।
আরএকটি ল এসে ভিরবে ঘাটে মার্টিন ও রহমত দ্রুত সেখানে যাবে।