৫৫

শান্ত ও সানি ঝর বৃষ্টির মধে নদীতে ভাষতে ভাষতে একসময় এসে একটি চরের মধ্যে এসে থামবে। শান্ত ক্লান্ত ভঙ্গিমায় সানিকে নিয়ে তিরে উঠবে। সানি জ্ঞান হারিয়েছে।
শান্ত সানির জ্ঞান ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করবে। মুখে ফু দিয়ে শাষ প্রশাষ চালুরাখার চেষ্টা করবে উপুর করে শুয়ে পেটে চাপ দিয়ে পানি বের করবে। এক সময় সানির জ্ঞান ফিরে আসবে।
সানি জ্ঞান ফেরার সাথে সাথে চিৎকার শুরু করবে।
শান্ত সানিকে শান্তনা দিবে।
অন্য একটি কান্নার শব্দ শুনা যাবে। কান্নার শব্দ শুনে সানি তার নিজের কান্না থামাবে। দুজনে উঠে নদীর কাছে যাবে।
পানিতে ভেষে থাকা জংলার ভিতর থেকে কান্নার শব্দ আসছে কিছুই দেখা যাচ্ছে না। শান্ত পানিতে নেমে জ্যতিকে তুলে নিয়ে আসবে।
সানি জ্যোতিকে জরিয়ে ধরবে। আবার কাদতে থাকবে।
এক বড় ঘটনা গটে গেছে জ্যোতির মধ্যে কোন ভ্রক্ষেপ নেই সে খুব সাধান ভাবে সানিকে জিজ্ঞেস করে..
– কানতাছেন কেন?
আমার মা…(সানি আবারও উও মাউ করে কাদতে থাকবে)
শান্তু সানির দিকে তাকিয়ে
কেদনা আমার বাবা..(তার চখ দিয়ে পানি বের হবে)
সানি শান্তর দিকে তাকিয়ে কান্না থামিয়ে দিবে..
আমার খুদা লেগেছে।
শান্তুরই একই অবস্থা সেই সকালে খেয়েছে এমন সময় ঝড় বিষ্ট শুরু হলো সবাই খুদার কথা ভুলেই গিয়েছে। কিন্তু চার পাশ দেখে মনে হচ্ছে এটি একটি চর এই চরে খাবার পাবে কোথায়..
– চল।
– কোথায়?
– আমাদের কোন গ্রামে আশ্রয় নিতে হবে।
সকলে উঠবে। হাটতে শুরু করবে।

৫৬

মার্টিন, ব্যাকুল হয়ে নদীর দিকে তাকিয়ে আছে। একজন সোলজার এসে সেলুট দিবে।
টেলীফোন ম্যাসেজ সার

মার্টিন ও রহমত দৌড়ে সদর ঘাট অফিস রুমের দিকে যাবে।

৫৭

মার্টিন রুমে প্রবেশ করার সাথে সাথে অফিসার সিট ছেড়ে দাড়িয়ে যাবে। মার্টিন সামনের চেয়ারে বসবে।
– সিট ডাউন।
অফিসার না বসে ফোন এগিয়ে গিবে।
মার্টিন ফোন হাতে নিবে..
হ্যালো।
অপর প্রান্ত থেকে
– ব্যাড নিউজ স্যার।
– হয়ার দা ল ।
– সার ল টি আমিন বাজার পার হয়ে। কোন একটি যায়গায় ডুবে গেছে।
– ও মাই গড! এখন।
– সার আমাদের টিম অলরেডি স্পটের উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে গেছে। উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।
– ডু সামথিং, আই ওয়ান্ট টু গো দেয়ার।
– ওকে সার আমি ব্যাবস্থা করছি।
ফোন রেখে মার্টিন ভেঙ্গে পরবে, তার মাথাটা ফাকা ফাকা লাগবে জ্ঞান হারাবে কিনা বুঝতে পারছে না। পানিরি পিপাশা পাবে..রহমতকে ডাকবে..
-রহমত পানি…