৬৭

দুজনে দাড়িয়ে আছে শান্তর কাধে জাল। সানি অবাক বিশ্বয়ে নদীর দিকে তাকাবে সমুদ্রের মত পদ্মা। কুল কিনারা কিছুই দেখা যায় না কোথাও কিছু নেই। পানি আর পানি
শান্ত সানির দিকে তাকিয়ে বলবে…
– তুমি এখানে বসে বসে দেখ কোন ল বা নৌকা দেখা যায় কিনা তাহলে তোমাকে দিয়ে আসব।
– তার মানে আমরা কোন দিনে ফিরে যেতে পারব না।
– পারব সময় লাগবে। তুমি বশ..
সানি পাড়ে বশে পরবে
শান্ত হাটু পানিতে নেমে জাল মারবে।
জাল খুব একটা ছড়াবে না
সানি মন খারাপ করে শান্তর মাছ ধরা দেখবে।
শান্ত জাল গুছিয়ে নিয়ে আসবে। দেখবে একটি মাছও নেই..
সানি হাসবে..
শান্ত লজ্জা পাবে…কিছু দুর এগিয়ে গিয়ে আবার জাল ফেলবে। এবারও মাছ পাবে না। কিছু সামনে গিয়ে আবার ফেলবে। এবার জাল তুলতেই দেখবে বেশ বড় একটি মাছ উঠেছে..
সানি লাফ দিয়ে উঠবে। দৌে পানিতে নামতে যাবে। শান্ত এসে সানিকে ধরে ফেলবে।
– কি করছ?
– আমিও মাছ ধরব।
– এখনিতো ডুবে যেতে..
– তাতে কি তুমি আছ না..মাছটা আমাকে দাও (মাছটা দু হাতে নিয়ে নদীর পারে দৌড়াতে থাকবে।) শোন আমি কোন দিন ফিরে যাব না এখানেই থাকব।
শান্ত তার ছেলে মানুষি দেখে হাসবে

গান-৩

৬৮

জ্যোতি খাচা থেকে পাখিটি বের করতে নিবে সাথে সাথে পাখিটি বের হয়ে উরে চলে যাবে। শান্ত যেদিকটা বাশের বেড়া দিয়ে আটকে রেখেছে পাখিটি সেদিকেই যাবে। জ্যোতি ব্যাড়ার ফাকা দিয়ে সেদিকে যাবে। পাখিটি, গাছ পালা দিয়ে ঢেকে রাখা লাশের উপরে গিয়ে বসবে। জ্যোতি পাখিটি ধরতে গিয়ে লাশের উপর পরে যাবে। লাশ দেখে ভয় পাবে। শরির মুছতে মুছতে ফিরে আসবে।

৬৯

রাতের আধঅরে কুপি জালিয়ে শান্ত মাছ ভাজছে, সানি মুখে দিচ্ছে। সে খুব মজা পাচ্ছে। শান্তুকে জিজ্ঞেস করছে…
– তুমি রান্না করতে পার?
– হু বিপদে পরলে পারি।
– তুমি বিপদে পরেছ? আমার কিন্তু ভালোই লাগছে।
– সানির দিকে তাকাবে…