দৃশ্য=৭
লে র নিচ তলা যাত্রিরা যে যার মত গল্প করছে সবার মন খারাপ, চখে মুখে ভয়।

মেঝেতে অলশ ভাবে বসে আছে, একটি গানের দল। তাদের সাথে আছে ৫ বৎসর বয়সি জ্যোতি। সে এদিক সেদিক তাকাচ্ছে।
শান্ত গালে হাত দিয়ে জানালার বাইরে তাকিয়ে আছে। তাকে বেশ উদাশিন মনে হবে।
আমিন বেে আধ শোয়া হয়ে আছে। হঠাৎ কাশতে থাকবে। ছেলেকে ডাকবে..
-শান্তু ..শান্তু…
শান্ত আতকে উঠে তাকাবে কাছে আসবে..
-বাবা..
আমিন কাশতে থাকবে। শান্তু একটি ব্যাগ থেকে তার স্টেথিস্কোপ বের করে বাবাকে পরিক্ষা করবে।
কাশির তিব্রতা কমে আসলে আমিন জিঙ্গেস করবে..
– ল ছারতে আর কতক্ষন?
– হয়ত কিছুক্ষনের মধ্যে..এই গ্রামে নাকি বৃটিশ রাজ পরিবারে কে থাকে তাকে নিতেই..
শান্তর কথা শেষ না হতেই আমিন বলে উঠবে,,
– হ্যা রাবেয়ার জামাই কর্নেল, শুনছি রাজ পরিবারের লোক।
– আমাকে আগে কখন বলনিত!
– তোর জন্মের আগেই রাবেয়ার বিয়া হইয়া গেছে, রাবেয়া আর আমি…(আবার কাশতে থাকবে) আমি বলিকি চল বাড়ি ফিরে যাই, এই রোগ ভালো হবে না শুধু শুধু..
চুপ কর..
স্টেথিস্কোপ রেখে আবার জানালা দিয়ে বাইরে তাকাবে।

দৃশ্য-৮

মেঠ পথ ধরে পালকিতে বসে সানি পা দুলাতে দুলাতে আসছিল হঠাৎ লাফ দিয়ে নেমে যাবে।
রাবেয়া অবাক।
– কি হোল?
ধাত এভাবে মানুষ মানুষকে কাধে করে নিয়ে যাবে এটা আমার ভালো লাগে না। তুমি বস।
মাকে জোর করে বসাবে, সে ছবি তুলবে।
রতনকে গরু নিয়ে আসতে দেখা যাবে। গনেষকে দেখে গামছা দিয়ে নিজের মুখ ঢাকবে। কাছে আসতেই মুখ বের করে বলবে।
আটকুরা বুইড়া…
বলেই দৌড় দিবে
গনেষ সুটকেস রেখে, ছাতা গুটিয়ে পিছু নিবে
তবেরে…
রতনের পিছু নিবে ধুতিতে পা পেচিয়ে পরে যাবে।
সানি গনেষের মাটিতে পড়ে যাওয়া দেখে মজা পাবে হসবে। ছবি তুলবে।

এক সময় গনেষ ফিরে আসবে, আবার সবাই হাটতে শুরু করবে।

 

বসন্তের ফুল | Page – 6