দৃশ্য-৯

ল ঘাটে পালকিতে করে সানি ও তার মা পৌছাতেই লে র ভিতর একটি আলরন সৃষ্টি হবে।
সকলেই দেখার জন্য ল থেকে বের হবার চেষ্টা করবে। কিন্তু গেইটে পুলিশ। কেউ বের হতে পারবে না।
যারা বাইরে ছিল তারা শিড়ির কাছে গিয়ে দাড়িয়েছে। সেখানে ছোট খাট একটা ভির জমে আছে।
শান্তু উকি দিয়ে দেখার চেষ্টা করবে.. এক সময় সামনে গিয়ে দাড়াবে।
সানি, রাবেয়া ধিরে ধিরে উঠে আসবে। সানি শিড়ি দিয়ে উঠতে একটু ভয় পাবে। লে পা রাখতেই পরে যেতে নিবে। সাথে সাথে শান্ত ধরে ফেলবে। তাকে উপরে তুলে নিয়ে আসবে।
আর সাথে সাথে পুলিশ গার্ড গুলো শান্তকে শরিয়ে সানিকে নিয়ে উপরে চলে যাবে। দুর থেকে রমিজ দাড়িয়ে দেখবে। আস্তে আস্তে ভির কমে যাবে। রমিজ এসে শান্তর পাশে দাড়াবে। মশকরার শুরে শান্তকে বলবে..
-কিরে ভাই বিলেতি মেমের হাতের ছোয়া কেমন লাগল?
শান্ত একটু অপ্রস্তুত হয়ে উত্তর দিবে..
– ইয়ে মনে! আর একটু হলেই পরে যেত।
– গেল যাইতো, বেড়াইতে আসার মজাটা পোক্তা হইতো।
– কি বলছেন, মেয়েটা যদি সাতার না জানে ।
– তাইলেতো আরও ভালা হইতো, আপনেতো রেডিই আছিলেন একে বাড়ে জড়াইয়া ধইরা…
শান্ত রমিজের দিকে ভ্র“ কুচকে তাকিয়ে চলে যাবে।
রমিজ শব্দ করে হাসবে একটা সিগারেট ধরাবে । বাইরের দিকে তাকাবে থুতু ফেলবে।
ল চলতে শুরু করবে। আস্তে আস্তে তির দুরে শরে যেতে থাকবে। দু’কুলের অপরূপ দৃশ্য পিছনের যেতে থাকবে।

দৃশ্য-১০

রহিম ছোট্ট একটি কবর খুরে তার পাশে কোদাল হাতে দাড়িয়ে আছে।
রহিমের চোখে মুখে দ্রেরতা। কাধের কাছে পিছনে হাত দিয়ে তাকাবে সেখানে গোটা আকৃতির লালচে ফোসকা পরার মত দাগ দেখতে পাবে। আতকে উঠবে। কাক-শকুনের ডাক শোনা যাবে।
আশে-পাশে তাকাতেই শকুনদের আনাগোনা দেখতে পাবে।
দুরে কলিম মুন্সীকে দ্রুত হাটতে দেখ । রহিম কোদাল ফেলে দৌড়ে তার কাছে ছুটে যাবে।

– হুজুর কবর খুরছি আপনে শুধু আমার পোলাডার..
আরে মিয়া তুমিকি পাগল হইছ! দেখতাছ না সব গ্রামকে গ্রাম মইরা সাফ হইয়া গেছে, সবাই গ্রাম ছাইরা চইলা গেছে শুধু তোমরা আর আমি ছাড়া আর কেউ নাই, দেরী না কইরা চলো।
হাত ধারবে হাতের দিকে তাকাবে। সঙ্গে সঙ্গে হাত সরিয়ে নিবে। রহিমের হাতে দাগ দেখতে পেয়ে ভয় পাবে..
হায় হায় এইডা আমি কি করলাম।
মাটিতে হাত ঘশতে থাকবে, পরি মরি করে দৌড় দিবে।
রহিম চিৎকার করে ডাকব..
-যাইয়েন না হুজুর, আমার পোলালার জানাজা টা দিয়া যান হুজুর..
এতক্ষনে কলিম মুন্সি অনেক দুরে চলে যাবে গাছ গাছালি পিছনে হাড়িয়ে যাবে।
রহিম হতাশ হয়ে মাটিতে পরে কাদতে থাকবে, কিছু ক্ষন উঠে দাড়াবে হাটতে থাকবে।

 

বসন্তের ফুল | Page – 7