দৃশ্য-১০
ফ্লাশ ইন
সুমনার বেড/দিন
সুমনা

সুমনা বস্তা ধরে দাড়িয়ে আছে বেলের শব্দে সম্মিত ফিরে পাবে। বস্তাটা দ্রুত খাটের নিচে লুকাবে।
নিজেকে গুছিয়ে নিয়ে ড্রইং রুমের উদ্দেশ্যে বের হবে।
কাট

দৃশ্য-১১
ড্রইংরুম/দিন
সুমনা, রাসেল।
রাসেল ডিস সংযোগের ভাড়া আদয় করে।
দরজা খুলতেই দেখবে রাসেল দাড়িয়ে আছে।
রাসেল : সালামুয়লাইকুম।
সুমনা : তোমার ভাইতো চলে গেছে।
রাসেল : আজকা দিবেন বলছিলেন।
সুমনা : আজ না কাল একবার এসো।
রাসেল : দুর.. এমন প্রতিদিন ঘুরতে ভালো লাগেনা।
আপনে দিয়া দেন।
সুমনা : কাল এসো কাল দিব।
রাসেল : আপনে ভায়ের কাছ থাইক্কা রাইখা দিয়েন ডিসের ভাড়া বারছে আগামী মাস থাইক্কা ৫০ টাকা বাড়ায় দিবেন।
সুমনা : আগামী মাস থেকে আমরা সংযোগ ছেড়ে দিব।
রাসেল : তাইলো তো ভালো কথা। আসি..
সুমনা : (অপমান বোধ করবে। স্বগত) টাকা না থাকলে মানুষের সম্মান নষ্ট হয়ে যায়। অপমান করে কথা বলার সুযোগ পায়। (অপমান বধ্যের হাসি হেসে দরজা বন্ধ করে বেড রুমে উদ্দ্যেশে ফ্রেম আউট)
কাট

দৃশ্য-১২
বেড রুম/দিন
সুমনা/দিন
রুমে প্রবেশ করে বস্তাটা খুলতে নিবে।
ইন্টার কাটে দেখা যাবে।
ভাতের পানি পরে চুলায় শব্দ হচ্ছে।
সুমনা : এই যা ভাত মনে হয় গলে শেষ। (দ্রুত রান্না ঘরের উদ্দেশ্যে প্রস্থান)
কাট টু

দৃশ্য-১৩
পার্ক /দিন
রাজন
রাজন মন্থর গতিতে হাটতে হাটতে পার্কে প্রবেশ করবে। একটি ব্যে বসবে।
রাজন : (স্বগত) কি করব বাসায় চলে যাব। আজো বেতন হয়নি শোনার সাথে সাথে সুমনা ভেঙ্গে পরবে। বাড়িওয়ালাকেই বা কি বলব। প্রতি দিন আজ না কাল কাল না পরশু বলে বিদেয় করছি। ভাড়া না হয় বেতন পেলে সব মিটিয়ে দিব কিন্তু তার পর। চাকরী না পেলেতো…ঢাকা ছেড়ে গ্রামে গিয়ে উঠতে হবে। কি লজ্জার ব্যাপার যারা আমাকে ঈর্শা করতো তারা এখন অপমান করবে। দু লাখ টাকা হলে ভালো একটি চাকরী হবে। এতো টাকা কে দিবে। ভেবে ছিলাম একটু একটু করে টাকা জমাব তা আর হোলো কোথায়, প্রতিটি মানুষের স য়ী হয়া উচিৎ তা এখন হারে হারে টের পাচ্ছি। না এভাবে বসে সময় নষ্ট করা উচিৎ হবে না যে কোন একটি কাজ যোগার করতে হবে।
রাজনা উঠে দাড়াবে।
কাট

দৃশ্য-১৪
সুমনার রান্না ঘর/দিন
সুমনা
ভাতের মাড় গলাবে।
সুমনা : আজো ভাত নরম হয়ে গেছে, রাজন খেতে বসে রাগ করবে, চালও নেই যে আবার বসিয়ে দিব।
(একটু গুছ-গাছ করে রান্না ঘর থেকে বের হয়ে আসবে)
কাট