দৃশ্য-১৫
সুমনার বেড/দিন
সুমনা,
রুমে প্রবেশ করে বস্তা খুলতে নিবে।

বাইরে অনেক লোকজনের শব্দ পাওয়া যাবে।

সে বারান্দা গিয়ে দাড়াবে।

অবাক হয়ে নিচের দিকে তাকাবে।

যে লোকটি বস্তা ফেলে পালিয়ে গিয়েছিলো পুলিশ তাকে ধরে ফেলেছে,
প্রচুর মার-দোর করেছো বোঝা যাচ্ছে।
যেখানে বস্তাটা ফেলে গিয়েছিল সেখানে অনেক পুলিশ এবং কৌতুহলী লোক জন।

তন্য তন্য করে বস্তা খোজা হচ্ছে।
সুমনা একটু পিছু শরে এসে,

দরজা একটু ফাকাদিয়ে দেখার চেষ্টা করবে।

কেউ উপরে তাকাচ্ছে না,

সে ভালো করে সবার দিকে তাকাবে।

তাকে কেউ দেখছে না কিন্তু দুরে দাড়িয়ে থাকা গনেষ বার বাড় উপরের দিকে তাকাবে।

সুমনা দরজা বন্ধ করে দিবে।

দ্রুত বস্তার কাছে যাবে।

বস্তা খুলবে।

বস্তায় তাকিয়ে হা হয়ে থাকবে,

অনেক টাকা দুটি বান্ডিল বের করবে।

তার চোখ মুখ শক্ত হয়ে যাবে ঘামতে থাকবে।

কলিং বেলের শব্দ সে চমকে গিয়ে তাকাবে।

কট টু

দৃশ্য-১৬
রফিক সাহেবের বাড়ি/দিন
রফিক,রাজন।

রফিক সাহেব রাজনের দুর সম্পর্কের আত্বিয়। রাজন গেইটের বাইরে দাড়িয়ে কলিং বেল চাপ দিবে রফিক সাহেব পেপার পরছিল। উঠে এসে দরজা খুলবে।
রাজন : সালামুয়ালাকুম ফুপা..
রফিক : অয়ালাইকুম সালাম রাজন….তুমিতো বাড়ী আসা একে বন্ধই করে দিয়েছ। এসো ভিতরে এসো।
উভয়ে প্রবেশ করবে।
রাজন : ফুপু বাসায় নেই…?
রফিক : আর বলনা তোমার ফুপুতো রনিকে নিয়ে ইন্ডিয়া গেছে ঘারের চিকিৎসা করাতে ঘারের ব্যাথা.. কিযে পেয়েছে ইন্ডিয়াতে কিছু হলেই লোকজন শুধু ইন্ডিয়া যাচ্ছে অথচ আমাদের দেশে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আসছে চিকিৎসা করাতে। তা বাবা কি মনে করে?
রাজন : না এই দিক দিয়ে যাচ্ছিলাম তাই…
রফিক : ভালো করেছ বৌমার শরির ভালোতো..
রাজন : জী…
রফিক : কে যেন বলছিল তোমাদের অফিস নাকি বন্ধ
হয়ে যাচ্ছে..?
রাজন : জী ফুপা গত মাসেই বন্ধ হয়ে গেছে..
রফিক : আহা হা…বেতন তো ভালোই দিতো, তা এখন
কি করছ?
রাজন : তেমন কিছু না চাকুরী খুজছি…আপনার
জানামতে যদি..
রফিক : আমিতো রিটায়ের্ড হয়েছি অনেক বছর হলো…চেয়ারে না থাকলে কেউ রিকোয়েস্ট রাখেনা..রনির জন্যই কিছু করতে পারছিনা…
রাজন : একটি চাকুরীর সন্ধান পেয়েছি…ঘুষ চাচ্ছে..
রফিক : এই ঘুস দেশটাকে ধ্বংস করে দিচ্ছে সবচেয়ে মজার ব্যাপার কি জান যারা হরদম ঘুস খাচ্ছে তারাও ঘুষের বিরুদ্দে কথা বলছে..তা কি আর করবে ভালো চাকুরী হলে দিয়ে দাও কত চাচ্ছে..
রাজন : দু লাখ…
রফিক : এত টাকা কোথায় পাবে…ডিপোজিট কিছু
আছে..
রাজন : তেমন কিছু নেই আপাতত এক লাখ হলেই হবে শুনেছি বেতন খুব ভালো দিবে..
রফিক : কিন্তু এক লাখ টাকা কোথায় পাবে..?
রাজনা : ফুপা আপনি যদি হেল্প করেন তাহলে মাসে মাসে
শোধ করে দিব..
রফিক : তুমিতো আমার অবস্থা যান লোন করে বাড়ি করেছি ভাড়া যা পাই ব্যাঙ্কেই দিয়ে দিতে হয় তার উপর তোমার ফুপুর অসুখ দুদিন পর পর ইন্ডিয়া যেতে হয়… তুমি যখন বলেছ হাজার দশেক টাকা আমি ব্যাবস্থা করব এভাবে কয়েএক জনের কাছ থেকে ধার নিয়ে চাকরীটা নিয়ে নাও.
রাজন : জী..
রফিক : তুমি বস আমি তোমার জন্য চা নাস্তার ব্যেবস্তা
করি…
রাজন : আপনি ব্যাস্ত হবেন না আমি বাসায় গিয়ে ভাত খাব সুমনা অপেক্ষ করবে….।
রফিক : আচ্ছা আচ্ছা ঠিক আছে টাকাটা লাগলে দু-এক দিন আগে জানিও…
রাজন : জী…আসি সালামুয়ালাইকুম..(উঠবে প্রস্থান)
কাট