দৃশ্য-২৯
রেস্টুরেন্ট /দিন
সুমনা, রাজন, গনেষ
সুমনা ও রাজনা খাচ্ছে। সুমনাকে খুব হ্যাপি দেখাবে, রাজন এর মুখে বিশ্বয়।
রাজন : আজ তোমার কি হয়েছে বলত?
সুমনা : তার আগে তুমি বল তোমার বেতন হয়েছে?
রাজন : না..
সুমনা : আর হবেও না দরকারও নেই (হাসবে) হি হি..
রাজন : হাসছ কেন?
সুমনা : খুশিতে..
রাজন : (অবাক) আজ আমাদের বাড়ির সামনে দুটি ঘটনা ঘটেছে যানতো?
সুমনা : কি?
রাজন : ডাকাতরা নাকি এক কটি টাকা ফেলে গেছে?
সুমনা : তাই নাকি আমি পেলে খুব ভালো
হতো..(হাসতে থাকবে) হি ..হি….
রাজন : আর একটি ঘটনা ঘটেছে..আমাদের বাড়িতে যে
ছেলেটি…
(কাথাটি বলার সময় সুমনার চোখ গিয়ে পরবে সামনের টেবিলটির দিকে… সে রাজনের কথা শুনতে পাবে না গনেশের বাশির শব্দ শুনতে পাবে..সামনের টেবিলেই থেকেই আসছে গনেষ তার দিকে তাকিয়ে মুখ থেকে বাশি শরাবে, বিশ্রী ভাবে হাসবে..সুমনা ভয় পেতে থাকবে।
সুমনা : তুমি তুমি এখানে কি চাও…
রাজন : সুমনা কি হয়েছে! সুমনা!
সুমনা : ওকে যেতে বল ওকে যেতে বল।
রাজন : (পিছু ফিরে তাকিয় দেখবে একটি লোক সিগারেট মুখে দিয়ে অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে।
রাজন : তুমি কি লোকটিকে চেন?
(সুমনার পি/ভি আস্তে আস্তে গনেষের ফেইজ
ডিসলভ হয়ে লোকটি ফেইজ ভেষে আসবে।)
রাজন : উম…
রাজন : তুমি কি লোকটিকে চেন…?
সুমনা : কোন লোকটিকে…?
রাজন : আমার পিছনে যে লোকটি বসে আছে..
সুমনা : না আমি ভুল দেখেছি…চল বাড়ি যাব..
রাজন : খাওয়া শেষ কর..
সুমনা : না এখনি যাব
রাজন : আচ্ছা ঠিক আছে ওয়েটার…
বিল হাতে ওয়েটার দাড়িয়ে ছিল..
রাজন বিল মিটিয়ে চলে আসবে সুমনা পিছু ফিরে তাকাবে। দেখবে গনেষ বসে আছে.. সুমনা রাজনের হাত ধরে দ্রত বের হয়ে যাবে।
কাট টু

দৃশ্য-৩০
বেড রুম/রাত
সুমনা, রাজন
(ঘড়িতে ৯ টা বাজে পেন করে দেখা যাবে রাজন ও সুমনা পাশা পাশি শুয়ে আছে রাজন মাথার পিছনে দু হাত রেখে সুমনার সাথে কথা বলছে)
সুমনা : তার পর?
রাজন : তার পর আরকি বলল আমি বড়জোর দশ হাজার টাকা দিতে পারব। বাকিটা অন্য কারো কাছ থেকে ম্যানেজ করতে।
সুমনা : ফুপার কাছে এক লাখ টাকা নেই এটা তুমি
বিশ্বাশ কর?
রাজন : বিশ্বাশ অবিশ্বাশ করে কি হবে মানুষ কি এত
সহজে টাকা দেয়?
সুমনা : (স্বগত) রাজনকে কি এখনি বলব আমার কাছে অনেক টাকা আছে তোমাকে কারো কাছে হাত
পাততে হবে না। না তাকে বললে সে এ টাকা নিবে না সোজা পুলিশের হাতে তুলে দিবে আমি তা হতে দিব না।
রাজন : (সুমনার দিকে তাকাবে) কি ভাবছ?
সুমনা : কিছু না।
বেলের শব্দ
রাজন : কে এলো..
সুমনা : বাড়িওলা…কি বলবে…ডিস এন্টেনার ভাড়ার জন্য এসেছিল, বাবা টাকা চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছে। (হাসবে) হি..হি…
রাজন : (অবাক হবে) তুমি থাক আমি দেখছি। (দির্ঘ্য
শাষ ছেড়ে উঠে ফ্রেম আউট হবে। )
সুমনা : খাটের নিচে তাকাবে। টাকা গুলো ঠিক আছে
কিনা দেখবে।
কাট

দৃশ্য-৩১
ড্রইং/রাত
বাড়ি ওয়ালা, রাজন, সুমনা।
দুজনে ছোফায় বসবে।
বাড়িওয়ালা : সরি এত রাতে ডিস্টার্ব করলাম। ঘুমিয়ে
পরেছিলেন নাকি?
রাজনা : না কথা বলছিলাম।
বাড়িওয়ালা : আজতো অনেক কান্ড ঘটে গেছে। পুলিশ পুরো বাড়ি তন্য তন্য করে খুজেছে আপনারাতো বাসায় ছিলেন না, এক সময়তো বললো তালা ভাংবে।
রাজন : তাই নাকি কেনো আমার রুমের তালা ভাঙ্গবে
কেন?
বাড়িওয়ালা : আরে পুলিশতো সবাইকেই সন্দেহ করছে পরে আমার এক বন্ধু আছে এডিসি তাকে ফোন করলাম। তার পর রক্ষা।
রাজন : তার পর টাকার কোন খোজ পাওয়া গেল?
বাড়িওয়ালা : না তবে পুলিশ সন্দেহ করছে…
ইন্টার কাটে সুমনার প্রবেশ
ময়লা নেয় যে ছেলেটা গনেষ…
সুমনা : (চোখ মুখ শক্ত হয়ে যাবে) এই আপনি এতরাতে কি চান? এখন যান সকালে আসবেন যান বলছি..
বাড়িওয়ালা : কি হয়েছ মা..
সুমনা : যান বলছি নয়তো আমি দা নিয়ে আসব, দাটা
কোথায় রেখেছি…… (বলে বের হয়ে যাবে)
রাজন : (হতবাক) আঙ্কেল আমি.. আপনি চলে যান
কোন কারনে আপনাকে সয্য করতে পারছে না।
বাড়িওয়ালা : কিন্তু আমিত কিছুই বুঝতে পারছি না..
রাজন : আপনি এখন যান সকালে বলব।
বাড়িওয়ালা : ঠিক আছে ঠিক আছে..(প্রস্থান)
দরজা বন্ধ করতেই সুমনা সব্জি কাটার দা নিয়ে হাজির।
রাজন : সুমনা কি হয়েছে তোমর? তুমি কি পাগল হয়ে
গেলে।
সুমনা : চোপ আমার সাথে কথা বলবে না আমি পাগল হয়েগেছি। টেবিলে দা দিয়ে কোপ দিবে জিনিষ পত্র ফেলে দিবে। ড্রং রুম থেকে বের হয়ে বেড রুমে যাবে।
রাজন ড্রংরুম থেকে জিনিস পত্র ভাঙ্গর শব্দ পাবে। রাজন মাথায় হাত দিয়ে বসে পরবে।
রাজনা : ও গড আমি এখন কি করব। আমর এই আথ্যিক পরিস্থিতি নিশ্চই সে সয্য করতে পারছে না। সবচেয়ে বড় কথা লাখ দু তিনেক টাকার জন্য তার চিকিৎসা হচ্ছে না এটা সে মেনে নিতে পারছে না। (মাথায় হাত দিয়ে বসে থাকবে)
কাট টু