নাটক
দৃশ্য-৩৯
বাড়ির গেইট/দিন
গনেষ, লোক জন পুলিশ
বাড়িরর গেইট,
লোকজন ক্রস করতেই গনেষ গেইটের ভিতরে প্রবেশ করে।

রাজনের শিড়িতে এসে ময়লার বালতিটি রাখবে।

বালতি থেকে কিছু পানি শিড়িতে পরতে দেখা যাবে।

বাশিটি ফু দেয়ার উদ্দেশে বের করে ফু না দিয়ে বেল চাপবে।

কিছুক্ষন পর সুমনা বের হয়ে আসবে।

দৃশ্য-২০ (রিপিট)
শিড়ি/দিন
সুমানা, গনেষ।
(দরজা খুলে তাকিয়ে দেখবে) শিড়ির একটু দুরে দাড়িয়ে আছে। গনেষ ছেলেটি বিশ্রী ভাবে হাসছে।
সুমনা চমকে উঠবে।
সুমনা : ময়লা নেই…
গনেষ : ময়লা নিতেতো আসি নাই..
সুমনা : (তোতলাতে থাকবে) তা তা তাহলে..
গনেষ : টাকা…
সুমনা : টাকা কিসের টাকা..এ মাসের টাকাতো নিয়ে
গেছ….!
গনেষ : এই টাকা না আপনে যা পাইছেন তার অর্ধেক
আমি কাউরে বলমু না..
সুমনা : আমি কোন টাকা পইনি।
গনেষ : পান খাওয়া বিশ্রি দাত দিয়ে হাসবে।
সুমনা : দরজা বন্ধ করে দিবে।)…

গনেষ : (কয়েক শিড়ি নেমে শিড়ীর জানালা দিয়ে নিচে তাকাবে। পুলিশ দেখতে পাবে।
গনেষ : (স্বগত) না এতগুলা টাকা… নিচে এখনও পুলিশ যদি পুলিশ টের পায়। পুলিশ গেলে তার পর আসমু।
দরজার ঐপাশ থেকে সুমনার দরজা খোলার শব্দ পাবে।
গনেষ :
দ্রুত শিড়ী দিয়ে নামতে গিয়ে পরে থাকা পানিতে পা পিছলে পরে যাবে।

হাত থেকে বাশিটি ছিটকে পরে যাবে।
গনেষ কনরকম বালতিটি নিয়ে নিচে নেমে আসবে।

গেইট থেকে দ্রুত বের হতেই একটি মাক্রবাসের সাথে সজরে আঘাত লাগবে।

গনেষ মাটিতে লুটিয়ে পরবে।
তার মুখ দিয়ে রক্ত বের হতে থাকবে।
কাট

দৃশ্য-৪০
বাড়িওয়ালার ড্রইং/দিন
রাজন, বাড়িওয়ালা ফরিদ।
সবায় কথা বলছিল।
রাজন : কিন্তু ময়লাওয়ালার মৃত্যতে সে এত শক্ট হয়ার
কি আছে?
ফরিদ : এই পৃথিবীতে অতি তুচ্ছ ব্যাপারেও মানুষ শক্ট
হয়।
বাড়িওয়ালা : আবার অনেক বড় ঘটনায়ও মানুষের চোখে পানি
আসে না।
রাজন : ডা: সাহেব সুমনা কি সুস্থ হবে না।
ফরিদ : অবশ্যই হবে কিছু ঔষধ খেতে হবে আর যে
করেই হক তাকে বুঝিয়ে দিতে হবে। গনেষ
এক্সিডেন্টে মারা গেছে দেট ওয়াজ এন
এক্সিডেনট….
কাট