দৃশ্য-৩৭
বাড়িওয়ালার ড্রইং/দিন
বাড়িওয়ালা, ডা: ফরিদ, রাজন।
বাড়িওয়ালা ও ডা: ফরিদ বসেছিলো বেল বাজতেই বাড়িওয়ালা দরজা খুলে দিবে। রাজনের প্রবেশ।
বাড়িওয়ালা : আসেন আপনার কথাই হচ্ছিল। মা মনির
শরিরটা এখন কেমন?
রাজন : খুব একটা ভালো না দিনে দিনে আরো অসুস্থ
হয়ে পরছে।
বাড়ওয়ালা : আপনি কিচ্ছু ভাববেন না, পরিচয় করিয়ে দেই প্রফেসার ফরিদ আমার বন্ধু মানুষ। আর ও হলো যার কথা বলছিলাম আমার ছেলের তুলো।
রাজন : সালামুয়ালাইকুম..
ফরিদ : মাথা নেড়ে উত্তর দিবে।
রাজন : আঙ্কেল আপনার ভাড়া টাকাটা..
বাড়িওয়ালা : আহা..তোমার এই সমস্যর মধ্যে এখনি কি
দরকার ছিল না হয় পরে দিও..
রাজন : না মানে আমি আগামী মাসে বাড়ি চলে যাব।
বাড়ি ওয়ালা : ও আচ্ছা…(টাকাটা নিবে।)
ফরিদ : আমি আপনার ওয়েফের সর্ম্পেকে শুনছি। কত
দিন ধরে এই সমস্যা?
রাজন : বেশি দিন না এইতো কএক দিন হলো..
ফরিদ : ওনাদের ফেমেলির কারো এমন এবনর্মলিটি
আছে কিনা শুনেছেনা।
রাজন : জী না।
ফরিদ : যেদিন থেকে সমস্যটা শুরু হলো সেদিনের ঘটনাটা আমাকে একটু বলবেন।
রাজন : সেদিন আমি নাস্তা করে অফিসে চলে যাই….
কাট

দৃশ্য-৩৭
সুমনার রুম/দিন
সুমনা,
শুয়েছিলো।
বিছানা থেকে উঠে জানালা বন্ধ করবে।
টাকা গুলো দেখবে।
এসে আবার শুয়ে থাকবে।

কাট
দৃশ্য-৩৮
বাড়িওয়ালার ড্রই/দিন
বাড়িওয়ালা, রাজন, ডা: ফরিদ।
রাজন কথা বলে যাচ্ছিল, অন্যেরা শুনছিল।
রাজন : সেদিন থেকেই আমি তার এই এবর্নমালিটি লক্ষ্য করেছি। তার পর থেকে তা ধিরে ধিরে বেড়ে গেছে।
ফরিদ : আপনি বলছেন ময়লা ওয়ালা লোকটিকে সে
যখন তখন দেখতে পায়।
রাজন : জী…।
ফরিদ : কিন্তু লোকটি জীবিত নেই ঘটনার দিনই লোকটি মারা যায়। এমনওতো হতে পারে লোকটির এক্সিডেন্ট স্ব চক্ষে দেখে আপনার ওয়াইফ মানষিক সক্ট পেয়েছে।
রাজন : হতে পারে কিন্তু ময়লা ওয়ালার বাশিটি আমাদের
শিড়িতে কেন পরে ছিল তা আমি ধরতে পাছি না।
ফরিদ : ধরুন ঘটনাটি এমন হতে পারে। ময়লা ওয়ালা আপনার বাড়ি ধেকে ময়লা নিয়ে ফেরার পথে এক্সিডিন্টটি হয়েছিল।
ফ্লাশ ব্যাক
পর্দয় লেখা যাবে “সেদিন যা গটে ছিল”

কাট